আরো সংবাদ
- ইসরায়েলকে মোকাবেলায় হামাসের অস্ত্র কী?
- গাজায় চরম মানবিক বিপর্যয়, ত্রাণ সহায়তায় আহ্বান জাতিসংঘের
- গাজা উপত্যকায় পঞ্চম দিনের মতো চলছে ইসরায়েলি হামলা
- সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘হামাস’ কী চায়? তাদের পেছনে কারা?
- এ বছর স হিং স তায় প্রাণ হারিয়েছে ২০০ ফিলিস্তিনি

ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ : বিশ্ব অর্থনীতির ভবিষ্যৎ কী?
ফিলিস্তিনের গাজায় নজিরবিহীন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। তাদের বিমান হামলার মুখে গাজা উপত্যকার কোথাও আর নিরাপদ নয় বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। টানা নয়দিন থেকে ইসরায়েলি বাহিনী ও গাজার স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ চলছে।
এতে উভয়পক্ষে নিহতের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়েছে। আহত হয়েছে ১০ হাজারের বেশি। গাজায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা বেড়ে দুই হাজার ২১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ৭২৪ জন শিশু এবং ৪৫৮ জন নারী। আহত ৮ হাজার ৭১৪ জন। অন্যদিকে হামাসের হামলায় ইসরায়েলে নিহত এক হাজার ৩০০ জনের বেশি।
গাজা উপত্যকায় ব্যাপক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। হামাস নিয়ন্ত্রিত এ এলাকায় স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে হামলার জন্য তৈরি হচ্ছে তারা । ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী-আইডিএফ জানিয়েছে, দেশজুড়ে সেনা মোতায়েন করেছে তারা। তিন লাখের বেশি রিজার্ভ সেনা ডেকেছে আইডিএফ। হামাসের হামলার জবাবে আরও আক্রমণের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের মুক্তি আন্দোলনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস হামলা চালায় ইসরায়েলে। জবাবে সেদিনই গাজায় নির্বিচার হামলা শুরু করে ইসরায়েল বাহিনী। তাদের হামলায় গাজার অন্তত ১৩ শতাধিক ভবন পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে । উপত্যকাটি পুরোপুরো অবরোধ করে বিদ্যুৎ, গ্যাস, খাবার ও পানির সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এতে করে চরম সংকটে গাজাবাসী।
গাজায় হাসপাতালগুলোতে সরঞ্জামের অভাবে চিকিৎসা ব্যবস্থা চরম বিপর্যয়ে। চিকিৎসা সরঞ্জাম তৈরির কারাখানাগুলোও বন্ধ হয়ে গেছে। ত্রাণসহায়তা না এলে চরম বিপর্যয় নেমে আসবে। এ জন্য মানবিক করিডোর স্থাপনের দাবি করেছে বিভিন্ন সংস্থা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ে একটি উড়োজাহাজ মিসরে পৌঁছেছে।
এদিকে, ফিলিস্তিনী প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এবং ইসরায়েলী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে আলাপ করেছন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, গাজায় মানবিক সহায়তা পাঠানোর পরিস্থিতি তৈরি করতে ইসরায়েল, মিসর, জর্ডান ও জাতিসংঘের সঙ্গে কাজ করছে তার দেশ।
ইসরায়েল ও গাজার পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই–এর মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। সংঘর্ষ যাতে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিতে চীনের সহায়তা চেয়েছেন ব্লিঙ্কেন। জবাবে ওয়াং ওয়াশিংটনকে এ ক্ষেত্রে গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, ইসরায়েল-হামাস সংঘাত অবসানে যুদ্ধবিরতির জন্য সোমবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভোটাভুটির আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া । প্রস্তাবে জিম্মিদের মুক্তি, মানবিক সহায়তা এবং প্রয়োজনে বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, গাজায় ইসরায়েলী বাহিনীর হামলার প্রতিবাদে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ চলছে।
ডেস্ক রিপোর্ট : শেখ সালাম।
এতে উভয়পক্ষে নিহতের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়েছে। আহত হয়েছে ১০ হাজারের বেশি। গাজায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা বেড়ে দুই হাজার ২১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ৭২৪ জন শিশু এবং ৪৫৮ জন নারী। আহত ৮ হাজার ৭১৪ জন। অন্যদিকে হামাসের হামলায় ইসরায়েলে নিহত এক হাজার ৩০০ জনের বেশি।
গাজা উপত্যকায় ব্যাপক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। হামাস নিয়ন্ত্রিত এ এলাকায় স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে হামলার জন্য তৈরি হচ্ছে তারা । ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী-আইডিএফ জানিয়েছে, দেশজুড়ে সেনা মোতায়েন করেছে তারা। তিন লাখের বেশি রিজার্ভ সেনা ডেকেছে আইডিএফ। হামাসের হামলার জবাবে আরও আক্রমণের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের মুক্তি আন্দোলনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস হামলা চালায় ইসরায়েলে। জবাবে সেদিনই গাজায় নির্বিচার হামলা শুরু করে ইসরায়েল বাহিনী। তাদের হামলায় গাজার অন্তত ১৩ শতাধিক ভবন পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে । উপত্যকাটি পুরোপুরো অবরোধ করে বিদ্যুৎ, গ্যাস, খাবার ও পানির সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এতে করে চরম সংকটে গাজাবাসী।
গাজায় হাসপাতালগুলোতে সরঞ্জামের অভাবে চিকিৎসা ব্যবস্থা চরম বিপর্যয়ে। চিকিৎসা সরঞ্জাম তৈরির কারাখানাগুলোও বন্ধ হয়ে গেছে। ত্রাণসহায়তা না এলে চরম বিপর্যয় নেমে আসবে। এ জন্য মানবিক করিডোর স্থাপনের দাবি করেছে বিভিন্ন সংস্থা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ে একটি উড়োজাহাজ মিসরে পৌঁছেছে।
এদিকে, ফিলিস্তিনী প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এবং ইসরায়েলী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে আলাপ করেছন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, গাজায় মানবিক সহায়তা পাঠানোর পরিস্থিতি তৈরি করতে ইসরায়েল, মিসর, জর্ডান ও জাতিসংঘের সঙ্গে কাজ করছে তার দেশ।
ইসরায়েল ও গাজার পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই–এর মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। সংঘর্ষ যাতে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিতে চীনের সহায়তা চেয়েছেন ব্লিঙ্কেন। জবাবে ওয়াং ওয়াশিংটনকে এ ক্ষেত্রে গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, ইসরায়েল-হামাস সংঘাত অবসানে যুদ্ধবিরতির জন্য সোমবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভোটাভুটির আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া । প্রস্তাবে জিম্মিদের মুক্তি, মানবিক সহায়তা এবং প্রয়োজনে বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, গাজায় ইসরায়েলী বাহিনীর হামলার প্রতিবাদে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ চলছে।
ডেস্ক রিপোর্ট : শেখ সালাম।
