গাজায় মানবিক বিপর্যয় চরমে পৌঁছেছে। একমাত্র বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অন্ধকারে নিমজ্জিত পুরো গাজা। এরইমধ্যে চলছে ইসরায়েলের বিমান হামলা। এবার স্থলপথে হামলার জন্য প্রস্তুত ইসরায়েলি বাহিনী। এমন প্রেক্ষাপটে অবরুদ্ধ গাজায় খাদ্য ও জ্বালানি সরবরাহ অবশ্যই পৌঁছাতে হবে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব।
বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) ইসরায়েলে যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন। আর সংঘাত নিরসনের উপায় নিয়ে আলোচনা করেছেন সৌদি যুবরাজ সালমান ও ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। চরম মানবিক বিপর্যয়ে পড়েছে অবরুদ্ধ গাজা। খাদ্য, পানি ও জ্বালানির মতো প্রয়োজনীয় রসদ ফুরিয়ে আসছে। একদিকে ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার বোমা হামলায় লাশের মিছিল।
অন্যদিকে খাবার, চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুর ক্ষণ গুনছে গাজার মানুষ। প্রতি মুহূর্তে বোমা হামলার আতঙ্ক, কোথাও নিরাপদে নেই গাজাবাসী। বাস্তুচ্যুত প্রায় চার লাখ মানুষ। হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। মরদেহ রাখার জায়গাও নেই মর্গগুলোতে। এমন প্রেক্ষাপটে অবরুদ্ধ গাজায় খাবার ও জ্বালানি সরবরাহ অবশ্যই পৌঁছাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব বলেছেন অ্যান্তোনিও গুতেরেস। এক টুইট বার্তায় অবিলম্বে এসব সহায়তা চালুর আহ্বান তার।
তিনি বলেন, ইসরায়েলের এই অবরোধ জাতিসংঘের আইন অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধ। গাজায় এখন দ্রুত এবং নিরবচ্ছিন্ন ত্রাণসহায়তার প্রবেশাধিকার প্রয়োজন বলে জানান জাতিসংঘের মহাসচিব। গাজায় আটকে পড়া বেসামরিক লোকজনদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য সেফ প্যাসেজ তৈরির কাজ চলছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউজের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা জন কিরবি জানান: সেফ প্যাসেজ তৈরির জন্য এরইমধ্যে ইসরায়েল ও মিসরীয় অংশীদারদের সঙ্গে সক্রিয় যোগাযোগ ও আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে গাজায় ত্রাণ সহায়তা দিতে রাজি হলেও সেখানকার বাসিন্দাদের আশ্রয় দেবে না মিসর।
এদিকে, সংঘাতে না জড়াতে ইরানকে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সামরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ঘোষনা তার। অন্যদিকে, সংঘাত বন্ধের উপায় নিয়ে ফোনালাপ করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। জিম্মি ইসরায়েলিদের মুক্ত করতে হামাসের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যিপ এরদোয়ান।
ইসরায়েলের প্রতি সংহতির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) দেশটি সফরে যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন। শুক্রবার ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ও জর্ডানের রাজা আব্দুল্লাহর সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। ইসরায়েলের গোয়েন্দা ব্যর্থতা নিয়ে সমালোচনার মধ্যেই সামনে এসেছে নতুন তথ্য। মিসরের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, হামাসের হামলার বিষয়ে চলতি সপ্তাহে কায়রোর পক্ষ থেকে একাধিকবার ইসরায়েলকে সতর্ক করা হয়।
কিন্তু ইসরায়েলি কর্মকর্তারা তাদের সতর্কবার্তা ও হামাসের হুমকিকে খাটো করে দেখেছেন।
ডেস্ক রিপোর্ট : শাওন মাহফুজ।
বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) ইসরায়েলে যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন। আর সংঘাত নিরসনের উপায় নিয়ে আলোচনা করেছেন সৌদি যুবরাজ সালমান ও ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। চরম মানবিক বিপর্যয়ে পড়েছে অবরুদ্ধ গাজা। খাদ্য, পানি ও জ্বালানির মতো প্রয়োজনীয় রসদ ফুরিয়ে আসছে। একদিকে ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার বোমা হামলায় লাশের মিছিল।
অন্যদিকে খাবার, চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুর ক্ষণ গুনছে গাজার মানুষ। প্রতি মুহূর্তে বোমা হামলার আতঙ্ক, কোথাও নিরাপদে নেই গাজাবাসী। বাস্তুচ্যুত প্রায় চার লাখ মানুষ। হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। মরদেহ রাখার জায়গাও নেই মর্গগুলোতে। এমন প্রেক্ষাপটে অবরুদ্ধ গাজায় খাবার ও জ্বালানি সরবরাহ অবশ্যই পৌঁছাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব বলেছেন অ্যান্তোনিও গুতেরেস। এক টুইট বার্তায় অবিলম্বে এসব সহায়তা চালুর আহ্বান তার।
তিনি বলেন, ইসরায়েলের এই অবরোধ জাতিসংঘের আইন অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধ। গাজায় এখন দ্রুত এবং নিরবচ্ছিন্ন ত্রাণসহায়তার প্রবেশাধিকার প্রয়োজন বলে জানান জাতিসংঘের মহাসচিব। গাজায় আটকে পড়া বেসামরিক লোকজনদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য সেফ প্যাসেজ তৈরির কাজ চলছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউজের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা জন কিরবি জানান: সেফ প্যাসেজ তৈরির জন্য এরইমধ্যে ইসরায়েল ও মিসরীয় অংশীদারদের সঙ্গে সক্রিয় যোগাযোগ ও আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে গাজায় ত্রাণ সহায়তা দিতে রাজি হলেও সেখানকার বাসিন্দাদের আশ্রয় দেবে না মিসর।
এদিকে, সংঘাতে না জড়াতে ইরানকে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সামরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ঘোষনা তার। অন্যদিকে, সংঘাত বন্ধের উপায় নিয়ে ফোনালাপ করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। জিম্মি ইসরায়েলিদের মুক্ত করতে হামাসের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যিপ এরদোয়ান।
ইসরায়েলের প্রতি সংহতির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) দেশটি সফরে যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন। শুক্রবার ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ও জর্ডানের রাজা আব্দুল্লাহর সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। ইসরায়েলের গোয়েন্দা ব্যর্থতা নিয়ে সমালোচনার মধ্যেই সামনে এসেছে নতুন তথ্য। মিসরের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, হামাসের হামলার বিষয়ে চলতি সপ্তাহে কায়রোর পক্ষ থেকে একাধিকবার ইসরায়েলকে সতর্ক করা হয়।
কিন্তু ইসরায়েলি কর্মকর্তারা তাদের সতর্কবার্তা ও হামাসের হুমকিকে খাটো করে দেখেছেন।
ডেস্ক রিপোর্ট : শাওন মাহফুজ।

