হামাসের হামলায় অন্তত ৯০০ ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন। পাল্টা হামলায় সাত শতাধিক ফিলিস্তিনির প্রাণ গেছে। গাজায় হামলা জোরদার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। সামরিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পূর্ব সতর্কতা ছাড়া হামলা চালালে আটক বন্দিদের হত্যার হুমকি দিয়েছে হামাস। অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মিদের ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়েছে জাতিসংঘ।
গাজায় খাদ্য ও জ্বালানি সরবরাহের সব পথ বন্ধের মাধ্যমে সর্বাত্মক অবরোধ আরোপের পর আকাশ ও স্থলপথে হামলা জোরদার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। বিমান হামলায় গুঁড়িয়ে দেয়া হচ্ছে একের পর এক ভবন। ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে গাজার বেশিরভাগ এলাকা। গাজার চারদিকেই হতাহতদের আর্তনাদ। আহতদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতালগুলো। পানি ও জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি বিদ্যুৎ না থাকায় চিকিৎসা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে হতাহতরা। প্রাণ বাঁচাতে কোথাও পালিয়ে যাওয়ার সুযোগটুকুও নেই গাজার মানুষের।
শরণার্থী শিবিরগুলোতেও নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। হামাসকে গুঁড়িয়ে দিতে প্রতিশোধ মাত্র শুরু বলে হুমকি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। হামাসের যোদ্ধাদের পাশাপাশি এবার ইসরায়েলে ঢুকতে শুরু করেছে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর সদস্যরা। লেবানন সীমান্তে হিজবুল্লাহর সদস্যদের সঙ্গে ইসরায়েলি সেনাদের ব্যাপক সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে যুদ্ধ আরো দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তবে হিজবুল্লাহর অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে ইসরায়েল।
গাজায় বোমা হামলা চালিয়ে নিরীহ বেসামরিক মানুষ হত্যা বন্ধ না করলে জিম্মি ইসরায়েলিদের মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে হামাস। তবে কাতার দাবি করেছে: জিম্মি ইসরায়েলিদের ফেরত আনার বিষয়ে হামাসের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা চলছে। বিনিময়ে ইসরায়েলে বন্দি ফিলিস্তিনিদের ফিরিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে।
চলমান সংঘাতে ইসরাইলের পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আকাশ প্রতিরক্ষা ও গোলাবারুদ সম্বলিত বেশ কয়েকটি বিমান ইসরায়েলের উদ্দেশ্যে উড়াল দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাইডেন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা। তবে সেনা পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। ইসরায়েলের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ব্রিটেন, জার্মানি ও ফ্রান্স। ফিলিস্তিনের জন্য বরাদ্দ অর্থ প্রদান স্থগিত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
এদিকে, ন্যয়্য অধিকারের দাবিতে সোচ্চার ফিলিস্তিনিদের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। সংঘাত বন্ধে জাতিসংঘের জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি ইসরায়েলিদের ফেরত দেয়ার দাবি জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
ওআইসিকে জরুরি বৈঠকে বসার আহ্বান জানিয়েছে ইরান। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকটের স্থায়ী সমাধানের দাবিতে বিক্ষোভ চলছে দেশে দেশে। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও যুক্তরাজ্য, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্সের মতো দেশগুলোতেও ইসরায়েলের বর্বরতা বন্ধের দাবিতে চলছে বিক্ষোভ। ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন বাড়ছে পশ্চিমা দেশগুলোতে।
ডেস্ক রিপোর্ট : শাওন মাহফুজ।
গাজায় খাদ্য ও জ্বালানি সরবরাহের সব পথ বন্ধের মাধ্যমে সর্বাত্মক অবরোধ আরোপের পর আকাশ ও স্থলপথে হামলা জোরদার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। বিমান হামলায় গুঁড়িয়ে দেয়া হচ্ছে একের পর এক ভবন। ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে গাজার বেশিরভাগ এলাকা। গাজার চারদিকেই হতাহতদের আর্তনাদ। আহতদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতালগুলো। পানি ও জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি বিদ্যুৎ না থাকায় চিকিৎসা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে হতাহতরা। প্রাণ বাঁচাতে কোথাও পালিয়ে যাওয়ার সুযোগটুকুও নেই গাজার মানুষের।
শরণার্থী শিবিরগুলোতেও নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। হামাসকে গুঁড়িয়ে দিতে প্রতিশোধ মাত্র শুরু বলে হুমকি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। হামাসের যোদ্ধাদের পাশাপাশি এবার ইসরায়েলে ঢুকতে শুরু করেছে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর সদস্যরা। লেবানন সীমান্তে হিজবুল্লাহর সদস্যদের সঙ্গে ইসরায়েলি সেনাদের ব্যাপক সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে যুদ্ধ আরো দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তবে হিজবুল্লাহর অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে ইসরায়েল।
গাজায় বোমা হামলা চালিয়ে নিরীহ বেসামরিক মানুষ হত্যা বন্ধ না করলে জিম্মি ইসরায়েলিদের মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে হামাস। তবে কাতার দাবি করেছে: জিম্মি ইসরায়েলিদের ফেরত আনার বিষয়ে হামাসের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা চলছে। বিনিময়ে ইসরায়েলে বন্দি ফিলিস্তিনিদের ফিরিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে।
চলমান সংঘাতে ইসরাইলের পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আকাশ প্রতিরক্ষা ও গোলাবারুদ সম্বলিত বেশ কয়েকটি বিমান ইসরায়েলের উদ্দেশ্যে উড়াল দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাইডেন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা। তবে সেনা পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। ইসরায়েলের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ব্রিটেন, জার্মানি ও ফ্রান্স। ফিলিস্তিনের জন্য বরাদ্দ অর্থ প্রদান স্থগিত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
এদিকে, ন্যয়্য অধিকারের দাবিতে সোচ্চার ফিলিস্তিনিদের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। সংঘাত বন্ধে জাতিসংঘের জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি ইসরায়েলিদের ফেরত দেয়ার দাবি জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
ওআইসিকে জরুরি বৈঠকে বসার আহ্বান জানিয়েছে ইরান। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকটের স্থায়ী সমাধানের দাবিতে বিক্ষোভ চলছে দেশে দেশে। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও যুক্তরাজ্য, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্সের মতো দেশগুলোতেও ইসরায়েলের বর্বরতা বন্ধের দাবিতে চলছে বিক্ষোভ। ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন বাড়ছে পশ্চিমা দেশগুলোতে।
ডেস্ক রিপোর্ট : শাওন মাহফুজ।
