রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি যখন টালমাটাল পরিস্থিতি পার করছে, ঠিক তখনই শুরু হলো আরেকটি রক্তক্ষয়ী সংঘাত! হামাস-ইসরায়েল এ সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে। আর, তাহলে আপাত ভঙ্গুর বিশ্ব অর্থনীতির ভবিষ্যৎ কী হবে? মূল্যস্ফীতির লাগাম আদৌ কী নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে?
ধ্বংসযজ্ঞের মহাতাণ্ডব চলছে! মুহুর্মুহু বিস্ফোরণ, ধ্বংসের শব্দে চাপা পড়ে যাচ্ছে মানুষের কান্নার আওয়াজ! কোভিড মহামারি, তারপর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বিশ্ব অর্থনীতির এমনিতেই নাজুক অবস্থা। তারইমধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু ইসরায়েল-হামাসের মধ্যে। ইসরায়েল বড় জ্বালানি তেল উৎপাদক নয়, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার তো প্রশ্নই আসে না। তবু, এই সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশংকা আছে মধ্যপ্রাচ্যে। যে কারণে বৃহত্তর আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার ভয় উস্কে দিচ্ছে জ্বালানি বাজারে।
এমনিতেই জ্বালানি তেলের বড় উৎপাদক রাশিয়া, নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটি চলতি বছরের শেষ নাগাদ তেলের উৎপাদন কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। তাদের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জ্বালানি তেল উৎপাদক দেশগুলোর জোট, ওপেক প্লাসও উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওপেক প্লাস ও রাশিয়া মিলে প্রতিদিন অন্তত ১৩ লাখ ব্যারেল কম জ্বালানি তেল উৎপাদন করছে।
এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েল-হামাস সংঘাত প্রভাব ফেলেছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজারে। সংঘাত শুরুর চারদিনেই দাম বেড়েছে ক্রুড অয়েলের। জ্বালানি তেলের দাম বাড়া মানেই পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়া। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে পণ্য উৎপাদনে; নিত্যপণ্যের বাজারে।
নতুন সংঘাতে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে বলেই মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। তারা পরামর্শ দিচ্ছেন, পুরো বিশ্বের মতো বাংলাদেশকেও দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজে রাখার। আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা- আইইএ এর মতে, চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত ওপেক প্লাস যদি জ্বালানি তেলের উৎপাদন কম রাখে, তবে তা চলতি বছরের শেষ প্রান্তিকে চাহিদার বিপরীতে ঘাটতি তৈরি করবে।
সংস্থাটি এও বলছে যে, আগামী বছরও জ্বালানি তেলের চাহিদা বাড়বে। সেখানে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংঘাত, ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ইঙ্গিতই দিচ্ছে।
রিপোর্ট : সম্রাট আনোয়ার।
ধ্বংসযজ্ঞের মহাতাণ্ডব চলছে! মুহুর্মুহু বিস্ফোরণ, ধ্বংসের শব্দে চাপা পড়ে যাচ্ছে মানুষের কান্নার আওয়াজ! কোভিড মহামারি, তারপর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বিশ্ব অর্থনীতির এমনিতেই নাজুক অবস্থা। তারইমধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু ইসরায়েল-হামাসের মধ্যে। ইসরায়েল বড় জ্বালানি তেল উৎপাদক নয়, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার তো প্রশ্নই আসে না। তবু, এই সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশংকা আছে মধ্যপ্রাচ্যে। যে কারণে বৃহত্তর আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার ভয় উস্কে দিচ্ছে জ্বালানি বাজারে।
এমনিতেই জ্বালানি তেলের বড় উৎপাদক রাশিয়া, নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটি চলতি বছরের শেষ নাগাদ তেলের উৎপাদন কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। তাদের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জ্বালানি তেল উৎপাদক দেশগুলোর জোট, ওপেক প্লাসও উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওপেক প্লাস ও রাশিয়া মিলে প্রতিদিন অন্তত ১৩ লাখ ব্যারেল কম জ্বালানি তেল উৎপাদন করছে।
এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েল-হামাস সংঘাত প্রভাব ফেলেছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজারে। সংঘাত শুরুর চারদিনেই দাম বেড়েছে ক্রুড অয়েলের। জ্বালানি তেলের দাম বাড়া মানেই পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়া। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে পণ্য উৎপাদনে; নিত্যপণ্যের বাজারে।
নতুন সংঘাতে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে বলেই মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। তারা পরামর্শ দিচ্ছেন, পুরো বিশ্বের মতো বাংলাদেশকেও দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজে রাখার। আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা- আইইএ এর মতে, চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত ওপেক প্লাস যদি জ্বালানি তেলের উৎপাদন কম রাখে, তবে তা চলতি বছরের শেষ প্রান্তিকে চাহিদার বিপরীতে ঘাটতি তৈরি করবে।
সংস্থাটি এও বলছে যে, আগামী বছরও জ্বালানি তেলের চাহিদা বাড়বে। সেখানে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংঘাত, ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ইঙ্গিতই দিচ্ছে।
রিপোর্ট : সম্রাট আনোয়ার।

