ATN
শিরোনাম
  •  

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে জামায়াত ও ছাত্রসংঘের ভূমিকা কী ছিল?

         

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে জামায়াত ও ছাত্রসংঘের ভূমিকা কী ছিল?

হত্যা, লুট, ধর্ষণ। অখণ্ড পাকিস্তানের স্বপ্নে কোন নৃশংসতাটা করেনি জামায়াতে ইসলামীসহ স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি? স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরও এই অপশক্তির থাবা থেকে মুক্তি মেলেনি জাতির। স্বাধীন বাংলায় আদর্শিক আর সাংস্কৃতিক সংঘাতের সুযোগ নিয়ে এতদিন টিকে ছিল এসব অপশক্তি।

মুক্তিযুদ্ধে বিভিষিকার ক্ষত আজও দগদগে বাংলার আনাচে কানাচে।

৭১ এ গণহত্যা, লুট, ধর্ষণ, হত্যায় প্রত্যক্ষ মদদ ছিল জামায়াতে ইসলামীর। এরাই মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সব ধরনের সহায়তা করেছে।

অখন্ড পাকিস্তানের স্বপ্নে বিভোর পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক গোলাম আযম জামায়াতের প্রচারযন্ত্র দৈনিক সংগ্রাম-এ, মুক্তিযোদ্ধাদের দুর্বৃত্ত বলে ঘোষণা দিয়েছিল সর্বাত্মক প্রতিরোধের। রাজাকার, আল শামস ও আল বদর বাহিনী গঠন করে নৃশংসতায় নামে এই দলটির অসংখ্য কর্মীরা। সে সময় এসব অপকর্মে নেতৃত্ব নেন, ফাঁসি কার্যকর হওয়া মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, আবদুল কাদের মোল্লা, মুহাম্মদ কামারুজ্জামানসহ অনেকে।

জামায়াতের সে সময়ের ছাত্র সংগঠন-ইসলামী ছাত্র সংঘ, ইসলামী ছাত্র শিবির নামে লেবাস পাল্টালেও, চরিত্রের পরিবর্তন হয়নি তাদের।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে শিক্ষাকে যেভাবে পুর্নবিন্যস্ত করার দরকার ছিল স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরও তা করতে না পারাটা আক্ষেপের, বলছেন ইতিহাসবিদরা।

রিপোর্টঃ কিশোয়ার/মা.ই.স
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ