হারিয়ে যাচ্ছে মুন্সিগঞ্জ মীরকাদিমের ঐতিহ্য ধবল গরু
প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে হারিয়ে যাচ্ছে মুন্সিগঞ্জের মীরকাদিমের শত বছরের ঐতিহ্য ধবল গরু। তবুও কিছু প্রান্তিক খামারি ছোট পরিসরে আগলে রেখেছেন পূর্বপুরুষের সৌখিন এই ধারা।
ধবল গরু হিসেবেই খ্যাত মীরকাদিমের গরু। এই গরুর চোখের পাপড়ি, শিং, পায়ের খুর , লেজের পশমসহ সারা শরীরই সাদা। সুদূর অতীতকাল থেকেই এই ধবল গরু কোরবানির ঈদে চাহিদার শীর্ষে থাকে। ঢাকার নবাব গণি মিয়ার সময় থেকেই রহমতগঞ্জে চালু হওয়া হাটে তোলা হচ্ছে মীরকাদিমেরে এই ধবল গরু।
তবে খামারিরা জানালেন, সুদিন হারিয়ে যাচ্ছে দিনদিন। মোটাতাজাকরণের অসাধু প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারছেন না তারা। কারণ, মীরকাদিমের গরুকে ওষুধ নয়, স্বাভাবিক খাবার খাইয়ে মোটাতাজা করা হয়। গোখাদ্যের দাম বাড়াসহ নানা প্রতিকূলতায় হারিয়ে যেতে বসেছে এই ঐতিহ্য। বর্তমানে খামারির সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ৮ থেকে ১০ জনে।
মুন্সিগঞ্জ জেলায় এ বছর ৫ হাজার ৩৬০ জন খামারি প্রায় ৭৩ হাজার গরু মোটাতাজা করছেন ঈদকে সামনে রেখে।
মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নজরুল ইসলাম মিরকাদিমের এই হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে নানা উদ্যোগের কথা জানালেন।
রিপোর্ট:চ.পা/টুবন
ধবল গরু হিসেবেই খ্যাত মীরকাদিমের গরু। এই গরুর চোখের পাপড়ি, শিং, পায়ের খুর , লেজের পশমসহ সারা শরীরই সাদা। সুদূর অতীতকাল থেকেই এই ধবল গরু কোরবানির ঈদে চাহিদার শীর্ষে থাকে। ঢাকার নবাব গণি মিয়ার সময় থেকেই রহমতগঞ্জে চালু হওয়া হাটে তোলা হচ্ছে মীরকাদিমেরে এই ধবল গরু।
তবে খামারিরা জানালেন, সুদিন হারিয়ে যাচ্ছে দিনদিন। মোটাতাজাকরণের অসাধু প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারছেন না তারা। কারণ, মীরকাদিমের গরুকে ওষুধ নয়, স্বাভাবিক খাবার খাইয়ে মোটাতাজা করা হয়। গোখাদ্যের দাম বাড়াসহ নানা প্রতিকূলতায় হারিয়ে যেতে বসেছে এই ঐতিহ্য। বর্তমানে খামারির সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ৮ থেকে ১০ জনে।
মুন্সিগঞ্জ জেলায় এ বছর ৫ হাজার ৩৬০ জন খামারি প্রায় ৭৩ হাজার গরু মোটাতাজা করছেন ঈদকে সামনে রেখে।
মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নজরুল ইসলাম মিরকাদিমের এই হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে নানা উদ্যোগের কথা জানালেন।
রিপোর্ট:চ.পা/টুবন
