ভোলার মেঘনায় জেলের জালে ১৭ কেজির কাতল, বিক্রি হলো ১৭ হাজার ৫০০ টাকায়
ভোলার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে প্রায় ১৮ কেজি ওজনের একটি বড় কাতল মাছ। মাছটি উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে সাড়ে ১৭ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
আজ শনিবার সকালে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা চডারমাথা মৎস্যঘাটের শাহাবুদ্দীন ফরাজির আড়তে মাছটির নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৫-৭ জন ক্রেতা অংশ নেন। পরে সর্বোচ্চ দর দিয়ে মাছটি কিনে নেন মৎস্য ব্যবসায়ী জামাল কোম্পানি।
জানা যায়, শনিবার ভোরে ৩ জন সহযোগীকে নিয়ে মাছ ধরতে ইলিশা লঞ্চঘাট-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে জাল ফেলেন স্থানীয় জেলে হানিফ মাঝি। একপর্যায়ে জাল টেনে তোলার সময় অন্যান্য মাছের সঙ্গে বড় আকারের কাতল মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি বিক্রির জন্য নদীতীরবর্তী ঘাটে নিয়ে আসেন তিনি। সেখানে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে মাছটি বিক্রি করা হয়।
জেলে হানিফ মাঝি বলেন, গত ২৯ অক্টোবর নদীতে মাছ ধরার ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর নদীতে মাছ ধরতে গেলেও কাঙ্ক্ষিত মাছ পাচ্ছিলেন না। তবে শনিবার ভোরে তাঁর জালে ১৭ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের কাতল মাছটি ধরা পড়ে। মাছটি বিক্রি করতে পেরে তিনি সন্তুষ্ট।
ক্রেতা জামাল কোম্পানি জানান, মাছটি ঢাকার মাওয়া ঘাটে পাঠানো হবে। সেখানে অন্তত ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী। নিলামে কয়েকজন ক্রেতা অংশ নিলেও সর্বোচ্চ দর দিয়ে মাছটি তিনি কিনে নেন।
আড়তদার শাহাবুদ্দীন ফরাজি বলেন, তাঁর আড়তে বড় একটি কাতল মাছ ওঠার খবর ছড়িয়ে পড়লে সেটি দেখতে মানুষের ভিড় জমে। পরে উন্মুক্ত নিলামে মাছটি ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন জানান, ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে গত ২৯ অক্টোবর ২২ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। এরপর থেকে জেলেদের জালে বড় আকারের ইলিশ, পাঙাশ, কাতলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ছে। সামনের দিনগুলোতে জেলেরা আরও বেশি পরিমাণে বড় মাছ পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ শনিবার সকালে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা চডারমাথা মৎস্যঘাটের শাহাবুদ্দীন ফরাজির আড়তে মাছটির নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৫-৭ জন ক্রেতা অংশ নেন। পরে সর্বোচ্চ দর দিয়ে মাছটি কিনে নেন মৎস্য ব্যবসায়ী জামাল কোম্পানি।
জানা যায়, শনিবার ভোরে ৩ জন সহযোগীকে নিয়ে মাছ ধরতে ইলিশা লঞ্চঘাট-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে জাল ফেলেন স্থানীয় জেলে হানিফ মাঝি। একপর্যায়ে জাল টেনে তোলার সময় অন্যান্য মাছের সঙ্গে বড় আকারের কাতল মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি বিক্রির জন্য নদীতীরবর্তী ঘাটে নিয়ে আসেন তিনি। সেখানে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে মাছটি বিক্রি করা হয়।
জেলে হানিফ মাঝি বলেন, গত ২৯ অক্টোবর নদীতে মাছ ধরার ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর নদীতে মাছ ধরতে গেলেও কাঙ্ক্ষিত মাছ পাচ্ছিলেন না। তবে শনিবার ভোরে তাঁর জালে ১৭ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের কাতল মাছটি ধরা পড়ে। মাছটি বিক্রি করতে পেরে তিনি সন্তুষ্ট।
ক্রেতা জামাল কোম্পানি জানান, মাছটি ঢাকার মাওয়া ঘাটে পাঠানো হবে। সেখানে অন্তত ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী। নিলামে কয়েকজন ক্রেতা অংশ নিলেও সর্বোচ্চ দর দিয়ে মাছটি তিনি কিনে নেন।
আড়তদার শাহাবুদ্দীন ফরাজি বলেন, তাঁর আড়তে বড় একটি কাতল মাছ ওঠার খবর ছড়িয়ে পড়লে সেটি দেখতে মানুষের ভিড় জমে। পরে উন্মুক্ত নিলামে মাছটি ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন জানান, ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে গত ২৯ অক্টোবর ২২ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। এরপর থেকে জেলেদের জালে বড় আকারের ইলিশ, পাঙাশ, কাতলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ছে। সামনের দিনগুলোতে জেলেরা আরও বেশি পরিমাণে বড় মাছ পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
