সতীর্থরা ব্যর্থ, একাই লড়লেন হৃদয়; সিলেটে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিলেট টেস্টে ব্যাট হাতে একাই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তাওহীদ হৃদয়। একের পর এক সতীর্থের উইকেট পতনের মধ্যেও ধৈর্য ও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। তার দুর্দান্ত শতকে ভর করেই দুইশ রানের গণ্ডি পেরিয়েছে বাংলাদেশ।
শনিবার (তৃতীয় দিন) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৩ উইকেটে ৮৮ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। শুরুতে মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন হৃদয়। দুজনের ব্যাটে আশার আলো দেখছিল স্বাগতিকরা। তবে ৭৩ রানের জুটি ভাঙে মুশফিকের বিদায়ে। জোমেল ওয়ারিকানের বলে শর্ট কাভারে ক্যাচ দিয়ে ৩৪ রান করে ফেরেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।
এরপর ক্রিজে এসেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন লিটন দাস। তবে দুটি বাউন্ডারি হাঁকানোর পর ওয়ারিকানের বলে কাভারে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। একই বোলারের শিকারে পরিণত হন হাসান মাহমুদও।
মাঝে হৃদয়ের সঙ্গে ৪১ রানের জুটি গড়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। কিন্তু রোস্টন চেজের বলে প্যাডেল শট খেলতে গিয়ে প্রথম স্লিপে ক্যাচ দেন ১৬ রান করা মিরাজ। ফলে আবারও চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে অবিচল ছিলেন হৃদয়। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মধ্যেও নিজের স্বাভাবিক ব্যাটিং চালিয়ে যান তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৭১ বলে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছান এই ডানহাতি ব্যাটার। সেঞ্চুরি পূর্ণ করে হেলমেট খুলে ব্যাটের হাতলে রেখে উদযাপন করেন ক্যারিয়ারের স্মরণীয় মুহূর্তটি।
মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ২০৫ রান। হৃদয় অপরাজিত ছিলেন ১০০ রানে। তার ইনিংসে ছিল ১১টি চার ও একটি ছক্কা। অন্যদিকে ক্রিজে তার সঙ্গী তাইজুল ইসলাম অপরাজিত ছিলেন ১ রানে।
এর আগে প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহ গড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফলে বিরতির সময়ও ক্যারিবীয়দের চেয়ে ১৫১ রানে পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশ।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৩৫০ রানের বেশি করার পর এবার আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেটেও নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন হৃদয়। তবে তার এই অসাধারণ ইনিংসকে বড় সংগ্রহে রূপ দিতে হলে বাকি ব্যাটারদেরও দায়িত্ব নিতে হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
শনিবার (তৃতীয় দিন) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৩ উইকেটে ৮৮ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। শুরুতে মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন হৃদয়। দুজনের ব্যাটে আশার আলো দেখছিল স্বাগতিকরা। তবে ৭৩ রানের জুটি ভাঙে মুশফিকের বিদায়ে। জোমেল ওয়ারিকানের বলে শর্ট কাভারে ক্যাচ দিয়ে ৩৪ রান করে ফেরেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।
এরপর ক্রিজে এসেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন লিটন দাস। তবে দুটি বাউন্ডারি হাঁকানোর পর ওয়ারিকানের বলে কাভারে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। একই বোলারের শিকারে পরিণত হন হাসান মাহমুদও।
মাঝে হৃদয়ের সঙ্গে ৪১ রানের জুটি গড়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। কিন্তু রোস্টন চেজের বলে প্যাডেল শট খেলতে গিয়ে প্রথম স্লিপে ক্যাচ দেন ১৬ রান করা মিরাজ। ফলে আবারও চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে অবিচল ছিলেন হৃদয়। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মধ্যেও নিজের স্বাভাবিক ব্যাটিং চালিয়ে যান তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৭১ বলে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছান এই ডানহাতি ব্যাটার। সেঞ্চুরি পূর্ণ করে হেলমেট খুলে ব্যাটের হাতলে রেখে উদযাপন করেন ক্যারিয়ারের স্মরণীয় মুহূর্তটি।
মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ২০৫ রান। হৃদয় অপরাজিত ছিলেন ১০০ রানে। তার ইনিংসে ছিল ১১টি চার ও একটি ছক্কা। অন্যদিকে ক্রিজে তার সঙ্গী তাইজুল ইসলাম অপরাজিত ছিলেন ১ রানে।
এর আগে প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহ গড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফলে বিরতির সময়ও ক্যারিবীয়দের চেয়ে ১৫১ রানে পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশ।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৩৫০ রানের বেশি করার পর এবার আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেটেও নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন হৃদয়। তবে তার এই অসাধারণ ইনিংসকে বড় সংগ্রহে রূপ দিতে হলে বাকি ব্যাটারদেরও দায়িত্ব নিতে হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
