গাইবান্ধায় চুরির অভিযোগে বৃদ্ধাকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
গাইবান্ধার সদর উপজেলায় চুরির অভিযোগ তুলে ৬৫ বছর বয়সী এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত গোলাপী বেগম নামে ওই নারী বর্তমানে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি সামনে আসে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে গত সোমবার (২ নভেম্বর) সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের বালাআটা গোবিন্দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী গোলাপী বেগম (৬৫) ওই গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের স্ত্রী। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম সাদা মিয়া (৩৫)। তিনি একই এলাকার মৃত দারোগ আলীর ছেলে।
পুলিশ, হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার গোলাপী বেগমের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ তোলা হয়। একপর্যায়ে তার দুই হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে একটি গাছের সঙ্গে আটকে মারধর করা হয়। তবে কী চুরির অভিযোগে তাকে নির্যাতন করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ১৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে ওই নারীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করতে দেখা যায়। এ সময় তাকে চিৎকার করতেও শোনা যায়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়।
পরে আহত অবস্থায় গোলাপী বেগমকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের শয্যা সংকটের কারণে তাকে করিডোরে অতিরিক্ত ২২ নম্বর শয্যায় রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স স্বপ্না রানী জানান, শয্যা সংতবে হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স স্বপ্না রানী বৃহস্পতিবার রাতে মোবাইল ফোনে জানান, শয্যা সংকটের কারণে ওই নারীকে হাসপাতালের করিডোরে অতিরিক্ত ২২ নম্বর শয্যায় রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি খাওয়া-দাওয়া করেছেন এবং বর্তমানে ভালো আছেন।
কটের কারণে ওই নারীকে করিডোরে অতিরিক্ত শয্যায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি খাওয়া-দাওয়া করেছেন এবং বর্তমানে ভালো আছেন।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা বলেন, মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী নারী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) আসিফ রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে গত সোমবার (২ নভেম্বর) সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের বালাআটা গোবিন্দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী গোলাপী বেগম (৬৫) ওই গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের স্ত্রী। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম সাদা মিয়া (৩৫)। তিনি একই এলাকার মৃত দারোগ আলীর ছেলে।
পুলিশ, হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার গোলাপী বেগমের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ তোলা হয়। একপর্যায়ে তার দুই হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে একটি গাছের সঙ্গে আটকে মারধর করা হয়। তবে কী চুরির অভিযোগে তাকে নির্যাতন করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ১৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে ওই নারীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করতে দেখা যায়। এ সময় তাকে চিৎকার করতেও শোনা যায়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়।
পরে আহত অবস্থায় গোলাপী বেগমকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের শয্যা সংকটের কারণে তাকে করিডোরে অতিরিক্ত ২২ নম্বর শয্যায় রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স স্বপ্না রানী জানান, শয্যা সংতবে হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স স্বপ্না রানী বৃহস্পতিবার রাতে মোবাইল ফোনে জানান, শয্যা সংকটের কারণে ওই নারীকে হাসপাতালের করিডোরে অতিরিক্ত ২২ নম্বর শয্যায় রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি খাওয়া-দাওয়া করেছেন এবং বর্তমানে ভালো আছেন।
কটের কারণে ওই নারীকে করিডোরে অতিরিক্ত শয্যায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি খাওয়া-দাওয়া করেছেন এবং বর্তমানে ভালো আছেন।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা বলেন, মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী নারী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) আসিফ রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
