শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে পাসপোর্ট দেওয়া হবে না : হুমায়ুন কবির
পলাতক ও ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলকে বিদায় জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
হুমায়ুন কবির বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সাধারণ পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। তাকে দেশে ফেরাতে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসরণ করা হবে।
তিনি বলেন, পালিয়ে যাওয়া এই টেরোরিস্ট, যে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে, তাকে আমরা কোনোভাবেই একজন সাধারণ কমার্শিয়াল ট্রাভেলার হিসেবে দেখতে পারি না। আমরা তার হ্যান্ডওভার চাই। বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে যে এক্সট্রাডিশন ট্রিটি রয়েছে, সেই অনুযায়ী এই ক্রিমিনালকে হ্যান্ডিং ওভার করতে হবে।
বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার পরিকল্পিত ত্রিপক্ষীয় করিডোর প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, এ উদ্যোগ নিয়ে বাংলাদেশ কোনো ভূরাজনৈতিক শঙ্কা দেখছে না। করিডোরটি বাস্তবায়িত হলে পুরো অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে। আঞ্চলিক এ যোগাযোগব্যবস্থায় যুক্ত হতে বাংলাদেশের যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। তবে এর আগে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।
চীনা প্রতিনিধিদলের সফর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, লিউ হাইশিংয়ের এই সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় এবং কৌশলগত সম্পর্ক আগামী দিনে আরও গভীর ও গতিশীল হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলকে বিদায় জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
হুমায়ুন কবির বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সাধারণ পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। তাকে দেশে ফেরাতে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসরণ করা হবে।
তিনি বলেন, পালিয়ে যাওয়া এই টেরোরিস্ট, যে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে, তাকে আমরা কোনোভাবেই একজন সাধারণ কমার্শিয়াল ট্রাভেলার হিসেবে দেখতে পারি না। আমরা তার হ্যান্ডওভার চাই। বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে যে এক্সট্রাডিশন ট্রিটি রয়েছে, সেই অনুযায়ী এই ক্রিমিনালকে হ্যান্ডিং ওভার করতে হবে।
বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার পরিকল্পিত ত্রিপক্ষীয় করিডোর প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, এ উদ্যোগ নিয়ে বাংলাদেশ কোনো ভূরাজনৈতিক শঙ্কা দেখছে না। করিডোরটি বাস্তবায়িত হলে পুরো অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে। আঞ্চলিক এ যোগাযোগব্যবস্থায় যুক্ত হতে বাংলাদেশের যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। তবে এর আগে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।
চীনা প্রতিনিধিদলের সফর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, লিউ হাইশিংয়ের এই সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় এবং কৌশলগত সম্পর্ক আগামী দিনে আরও গভীর ও গতিশীল হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
