২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হারে ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন মেয়েরা। তবে সর্বোচ্চ ফল জিপিএ-৫ অর্জনে ছেলেদের সংখ্যা বেশি। প্রকাশিত ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পাসের হারে মেয়েরা ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে থাকলেও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা এগিয়ে ৬৪২ জনের ব্যবধানে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।
প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এবার নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১২ লাখেরও বেশী পরীক্ষার্থী অংশ নেন। অবশ্য পরীক্ষায় বেশ কিছুসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। সামগ্রিক পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ।
উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রী ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন এবং ছাত্র ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন। ছাত্রীদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ। অন্যদিকে, ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে ছাত্রীদের এগিয়ে থাকার ব্যবধান ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ পয়েন্ট।
তবে জিপিএ-৫ অর্জনের চিত্রে দেখা যাচ্ছে ভিন্নতা। এবার মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৩৬৩ জন এবং ছাত্রী ১৯ হাজার ৭২১ জন। অর্থাৎ, জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা মেয়েদের চেয়ে ৬৪২ জন এগিয়ে রয়েছেন।
গত বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন। সেই হিসাবে এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন। শতাংশের হিসাবে এই হ্রাস প্রায় ৪২ শতাংশ।
বোর্ডভিত্তিক ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন। তাঁদের মধ্যে ছাত্র ১৮ হাজার ১৫৫ জন এবং ছাত্রী ১৭ হাজার ৭৯৩ জন।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২৫০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২ হাজার ২৮ জন এবং ছাত্রী ১ হাজার ২২২ জন।
অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮৮৬ জন। এ বোর্ডে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা অনেক বেশি। ১৮০ জন ছাত্রের বিপরীতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭০৬ জন ছাত্রী।
এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২ জুলাই। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে এসব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে, পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। পাশাপাশি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং কেন্দ্রীয় ফলাফল প্রকাশের ওয়েবসাইটেও ফল পাওয়া যাচ্ছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে `eduboardresults.gov.bd` এবং `educationboardresults.gov.bd` ওয়েবসাইটের Result কর্নারে গিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন ও প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর ব্যবহার করে ফল ডাউনলোড করতে হবে।
ডেস্ক রিপোর্ট, এটিএন নিউজ।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।
প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এবার নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১২ লাখেরও বেশী পরীক্ষার্থী অংশ নেন। অবশ্য পরীক্ষায় বেশ কিছুসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। সামগ্রিক পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ।
উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রী ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন এবং ছাত্র ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন। ছাত্রীদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ। অন্যদিকে, ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে ছাত্রীদের এগিয়ে থাকার ব্যবধান ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ পয়েন্ট।
তবে জিপিএ-৫ অর্জনের চিত্রে দেখা যাচ্ছে ভিন্নতা। এবার মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৩৬৩ জন এবং ছাত্রী ১৯ হাজার ৭২১ জন। অর্থাৎ, জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা মেয়েদের চেয়ে ৬৪২ জন এগিয়ে রয়েছেন।
গত বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন। সেই হিসাবে এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন। শতাংশের হিসাবে এই হ্রাস প্রায় ৪২ শতাংশ।
বোর্ডভিত্তিক ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন। তাঁদের মধ্যে ছাত্র ১৮ হাজার ১৫৫ জন এবং ছাত্রী ১৭ হাজার ৭৯৩ জন।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২৫০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২ হাজার ২৮ জন এবং ছাত্রী ১ হাজার ২২২ জন।
অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮৮৬ জন। এ বোর্ডে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা অনেক বেশি। ১৮০ জন ছাত্রের বিপরীতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭০৬ জন ছাত্রী।
এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২ জুলাই। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে এসব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে, পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। পাশাপাশি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং কেন্দ্রীয় ফলাফল প্রকাশের ওয়েবসাইটেও ফল পাওয়া যাচ্ছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে `eduboardresults.gov.bd` এবং `educationboardresults.gov.bd` ওয়েবসাইটের Result কর্নারে গিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন ও প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর ব্যবহার করে ফল ডাউনলোড করতে হবে।
ডেস্ক রিপোর্ট, এটিএন নিউজ।
