কেরানীগঞ্জে রাজউকের ঝিলমিল আবাসনে শিয়ালের আতঙ্ক, কামড়ে আহত ৩
রাজধানীর উপকণ্ঠে কেরানীগঞ্জ রাজউকের ঝিলমিল আবাসন প্রকল্পে ঘন ঝোপঝাড় ও জমে থাকা ময়লার স্তূপের কারণে শিয়ালের উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। আজ শুক্রবার সকালে প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়ে এক পথচারী শিয়ালের আক্রমণের শিকার হয়েছেন। প্রাণ বাঁচাতে তিনি দৌড়ে আত্মরক্ষা করতে গেলে একটি শুকনো ডোবায় পড়ে যান এবং হাতে গুরুতর আঘাত পান। এ নিয়ে গত কয়েক দিনে শিয়ালের কামড় ও তাড়ায় অন্তত ৩ জন আহত হলেন।
স্থানীয় প্রাতর্ভ্রমণকারী ও বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) দীর্ঘদিনের অবহেলা ও নিয়মিত তদারকির অভাবে আবাসন প্রকল্পের বিশাল এলাকা এখন ঘন জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। ঝোপঝাড় ও ময়লার ভাগাড় বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হওয়ায় প্রতিদিন ভোরে ও সন্ধ্যায় নির্জন সড়কে শিয়ালের অবাধ বিচরণ দেখা যাচ্ছে। এতে জমি পরিদর্শনে আসা সম্ভাব্য ক্রেতা, সাধারণ পথচারী ও প্রাতর্ভ্রমণকারীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে শুরু হওয়া প্রায় ৩৮১ একরের এই আবাসিক প্রকল্পটির ২৯ বছর পার হলেও এখনও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হয়নি। বিশেষ করে ১৬০ একর জমিতে ১৩ হাজার ৭২০টি ফ্ল্যাট নির্মাণের পিপিপি উদ্যোগটি দীর্ঘদিন ধরে আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতায় ঝুলে আছে। পরিষেবা ও নিরাপত্তার এমন বেহাল দশায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে প্রকল্প এলাকার ঝোপঝাড় পরিষ্কার, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ, সড়কে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে।
ঝিলমিল আবাসন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম বিপ্লব জানান, শিয়ালের উপদ্রব ও পথচারীদের নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। দ্রুত বর্জ্য অপসারণ ও ঝোপঝাড় পরিষ্কারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি আটকে থাকা ফ্ল্যাট প্রকল্পের জটিলতা নিরসনেও উচ্চপর্যায়ে কার্যক্রম চলছে।
রিপোর্ট : শাহিন গাজী/সা.সি
স্থানীয় প্রাতর্ভ্রমণকারী ও বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) দীর্ঘদিনের অবহেলা ও নিয়মিত তদারকির অভাবে আবাসন প্রকল্পের বিশাল এলাকা এখন ঘন জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। ঝোপঝাড় ও ময়লার ভাগাড় বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হওয়ায় প্রতিদিন ভোরে ও সন্ধ্যায় নির্জন সড়কে শিয়ালের অবাধ বিচরণ দেখা যাচ্ছে। এতে জমি পরিদর্শনে আসা সম্ভাব্য ক্রেতা, সাধারণ পথচারী ও প্রাতর্ভ্রমণকারীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে শুরু হওয়া প্রায় ৩৮১ একরের এই আবাসিক প্রকল্পটির ২৯ বছর পার হলেও এখনও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হয়নি। বিশেষ করে ১৬০ একর জমিতে ১৩ হাজার ৭২০টি ফ্ল্যাট নির্মাণের পিপিপি উদ্যোগটি দীর্ঘদিন ধরে আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতায় ঝুলে আছে। পরিষেবা ও নিরাপত্তার এমন বেহাল দশায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে প্রকল্প এলাকার ঝোপঝাড় পরিষ্কার, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ, সড়কে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে।
ঝিলমিল আবাসন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম বিপ্লব জানান, শিয়ালের উপদ্রব ও পথচারীদের নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। দ্রুত বর্জ্য অপসারণ ও ঝোপঝাড় পরিষ্কারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি আটকে থাকা ফ্ল্যাট প্রকল্পের জটিলতা নিরসনেও উচ্চপর্যায়ে কার্যক্রম চলছে।
রিপোর্ট : শাহিন গাজী/সা.সি
