ATN News
শিরোনাম
  •  

জাকের-নাঈমের দৃঢ়তায় ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন, বাংলাদেশের লিড ১০৬

         
জাকের-নাঈমের দৃঢ়তায় ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন, বাংলাদেশের লিড ১০৬

জাকের-নাঈমের দৃঢ়তায় ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন, বাংলাদেশের লিড ১০৬

মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অলআউট করে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। কিন্তু ক্যারিবীয় স্পিনে দিশেহারা হয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। এক সময় মনে হচ্ছিলো হয়তো একশো রানের লিডও নিতে পারবে না টাইগাররা। তবে জাকের-নাঈমের ব্যাটে নতুন স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ শিবির। ইতোমধ্যে লিড একশো ছাড়িয়েছে। এরপরই আলোকস্বল্পতায় বন্ধ হয়েছে খেলা।

দ্বিতীয় ইনিংসে শুরু থেকেই বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় মাত্র ১ রানেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। শামার জোসেফের বলে লেগ স্টাম্পের দিকে ফ্লিক করতে গিয়ে গালিতে ক্যাচ দেন তিনি। আগের ইনিংসে ৭ রান করা তানজিদ এবার ফিরেছেন শূন্য রানে।

এরপর অধিনায়ক শান্ত ও সাদমান ইসলামের ব্যাটে এগোতে থাকে বাংলাদেশ। তাদের জুটিতে লিড ৫০ রান ছাড়ালেও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি স্বস্তি। ইনিংসের ১১তম ওভারে মাত্র তিন বলের ব্যবধানে বিদায় নেন সাদমান ও তাওহীদ হৃদয়। চেজের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৩০ বলে ১৩ রান করেন সাদমান। অন্যদিকে, আগের ইনিংসে ৪২ রান করা হৃদয় এবার কোনো রান না করেই ফিরে যান।

পরবর্তীতে ফিল্ডিংয়ের সময় মাথায় আঘাত পাওয়া মুমিনুল হকের কনকাশন বদলি হিসেবে ব্যাটিংয়ে নামেন জাকের আলি অনিক। তবে দলের স্কোরে আর এক রান যোগ হতেই বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। আগেভাগেই নেওয়া হয় চা বিরতি। বিরতির আগে ৩৪ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

অন্যদিকে, ৪ উইকেটে ১৩৪ রানের পর আজ (শুক্রবার) তৃতীয় দিনে খেলতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে প্রথমে হাফসেঞ্চুরি করেন তেজনারায়ণ চন্দরপল। ১৮৪ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৫৬ রান করার পর তাকে স্লিপে শান্ত’র ক্যাচ বানিয়ে ফিরিয়েছেন শরিফুল ‍ইসলাম। এর আগে তিনি জাস্টিন গ্রিভসের সঙ্গে ৬৫ রানের জুটি গড়েছিলেন। গ্রিভসও একবার লাইফ পেয়েছেন মুমিনুল সহজ ক্যাচ ছেড়ে দেওয়ায়। পরে নাঈমের অফসুইংয়ে এলবিডব্লিউ হয়ে তিনি ১০৩ বলে ২ চারে ৪৬ রানে ফিরেছেন।

মধ্যাহ্নভোজের বিরতি শেষে বাংলাদেশ বেশিরভাগ ওভার করিয়েছে দুই অফস্পিনার দিয়ে। তারা ভাগাভাগি করে বাকি ৪ উইকেট তুলে নেন। অভিষিক্ত ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার জশুয়া বিশপ নেমেই তিনটি চার মেরেছেন, তবে ১৫ রানেই তাকে ফিরতে হলো মিরাজের বলে স্টাম্পিং হয়ে। এরপর শামার জোসেফকে (৪) উইকেটকিপার লিটনের হাতে, জোমেল ওয়ারিকানকে (০) এলবিডব্লিউ এবং জেইডেন সিলসকে (০) মিরাজের ক্যাচ বানিয়ে ফেরালেন নাঈম হাসান।

বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম ৫০ ‍উইকেটের মাইলফলক পূর্ণ করা নাঈমের শিকার ৪ উইকেট। এ ছাড়াও মেহেদি হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম ২টি করে উইকেট শিকার করেন। হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলাম নেন ১টি করে।

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট খেলা সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ