ATN News
শিরোনাম
  •  

৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি

         
৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি

৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ভোট গণনার ৬০ শতাংশ সম্পন্ন হওয়ার পর এগিয়ে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন লিকুদ পার্টি। দেশটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির সর্বশেষ আনুষ্ঠানিক তথ্য অনুযায়ী, দলটি এখন পর্যন্ত ২১ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট পেয়েছে। অন্যদিকে, প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের ইয়াশার পার্টি পেয়েছে ১৬ দশমিক ২ শতাংশ ভোট।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোটের প্রাথমিক ফলাফলে লিকুদ পার্টি এগিয়ে থাকলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। ইসরায়েলের নির্বাচনী ব্যবস্থায় ভোটাররা সরাসরি কোনো প্রার্থীকে নয়, বরং রাজনৈতিক দলকে ভোট দেন। পরে দলগুলো জোট গঠনের মাধ্যমে পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করে সরকার গঠন করে।

দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসে এখন পর্যন্ত কোনো একক দল এককভাবে পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। ফলে নির্বাচনের ফলাফলের পাশাপাশি বিভিন্ন দলের মধ্যে জোট গঠনের সমীকরণও সরকার নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এবারের নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণও উল্লেখযোগ্য বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। নিবন্ধিত ভোটারদের প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট দিয়েছেন। একইভাবে আরব ভোটারদের মধ্যেও ভোটদানের হার প্রায় ৮০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ২০২২ সালের নির্বাচনের তুলনায় বেশি।

ইসরায়েলের আরব জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভোটদানের হার বৃদ্ধির পেছনে জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের নীতি, আরব অধ্যুষিত এলাকায় বাড়িঘর ভাঙা এবং সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার মতো বিষয়গুলো প্রভাব ফেলেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বুথফেরত জরিপ অনুযায়ী, পরবর্তী নেসেটে (ইসরায়েলি পার্লামেন্ট) আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলো ১৮টি আসন পেতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক মতভেদের কারণে নেতানিয়াহু বা তার বিরোধী—কোনো পক্ষই সরকার গড়তে এসব আরব দলের সমর্থন নিতে রাজি নয়। ইসরায়েলের মূল ধারার সবকটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা এই বিষয়ে নিজেদের অবস্থান আগেই পরিষ্কার করেছেন।

নিয়ম অনুযায়ী, ভোটের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট সেই দলীয় নেতাকেই সরকার গঠনের আহ্বান জানাবেন, যার নেসেটে আস্থা ভোটে জয়ী হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে। মনোনীত প্রার্থী নির্দিষ্ট সময় পাবেন দলগুলোর সঙ্গে দরকষাকষি, আসন সমঝোতা এবং একটি কার্যকরী কোয়ালিশন বা জোট সরকার গঠনের চেষ্টা করার জন্য।

সূত্র: আল জাজিরা

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট বিশ্ব সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ