কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর রসুলপুর এলাকা থেকে ডালিয়া আক্তার (৪৫) নামের এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি বাস্তা ইউনিয়ন আওয়ামী যুব মহিলা লীগের নেত্রী ও স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন।
আজ শুক্রবার সকালে আব্দুল্লাহপুর রসুলপুর এলাকার সোনালী ব্যাংক ভবনের চারতলায় (তিন তলার ফ্ল্যাট) নিজ বাসা থেকে তাঁর নিথর দেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং সিআইডির ক্রাইম সিন টিমকে খবর দেয়। পরবর্তীতে আলামত সংগ্রহ শেষে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকে ডালিয়া আক্তার ওই ফ্ল্যাটে একাই বসবাস করতেন। তাঁর দুই মেয়ে—নদী ও লিজা বিবাহিত এবং তাঁরা নিজ নিজ শ্বশুরবাড়িতে থাকেন।
নিহতের ছোট মেয়ে লিজা অভিযোগ করে বলেন, "আমার মা দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং যুব মহিলা লীগের নেত্রী ছিলেন। পাশাপাশি তিনি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। আমার মাকে পরিকল্পিতভাবে ও অত্যন্ত নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।" তিনি অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে নিহতের নাম ডালিয়া বেগম এবং তিনি পেশায় একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন বলে জানা গেছে। তবে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষেই এই হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য ও কারণ উন্মোচিত হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
রিপোর্ট : শাহীন গাজী/সা.সি
আজ শুক্রবার সকালে আব্দুল্লাহপুর রসুলপুর এলাকার সোনালী ব্যাংক ভবনের চারতলায় (তিন তলার ফ্ল্যাট) নিজ বাসা থেকে তাঁর নিথর দেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং সিআইডির ক্রাইম সিন টিমকে খবর দেয়। পরবর্তীতে আলামত সংগ্রহ শেষে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকে ডালিয়া আক্তার ওই ফ্ল্যাটে একাই বসবাস করতেন। তাঁর দুই মেয়ে—নদী ও লিজা বিবাহিত এবং তাঁরা নিজ নিজ শ্বশুরবাড়িতে থাকেন।
নিহতের ছোট মেয়ে লিজা অভিযোগ করে বলেন, "আমার মা দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং যুব মহিলা লীগের নেত্রী ছিলেন। পাশাপাশি তিনি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। আমার মাকে পরিকল্পিতভাবে ও অত্যন্ত নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।" তিনি অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে নিহতের নাম ডালিয়া বেগম এবং তিনি পেশায় একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন বলে জানা গেছে। তবে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষেই এই হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য ও কারণ উন্মোচিত হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
রিপোর্ট : শাহীন গাজী/সা.সি
