কক্সবাজারে জোয়ারের পানিতে ডুবে ৪ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ১
কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ ৫ পর্যটকের মধ্যে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো চারজনে। এ ঘটনায় এখনো একজন নিখোঁজ রয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে ওই পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুর্ঘটনাস্থল থেকে অদূরের সৈকতে ভেসে আসা মরদেহটি চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ কবিরের ছেলে মোহাম্মদ হারুনের বলে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেছেন তার স্বজনেরা।
এর আগে বুধবার বিকেলে হিমছড়ি এলাকার মারিনা রিসোর্টের পাশের সৈকতে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পরপর তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা হলেন ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ির বাসিন্দা রোহান (২৩) ও শহীদুল ইসলাম জিসান (২৩) এবং চট্টগ্রামের বায়েজিদ শার্সা এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আকাশ (২১)। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ঢাকার আজিমপুরের বাসিন্দা নাফিসুল হক নিবিড় (২২)।
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান জানান, প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পর্যটকদের দুটি পৃথক দল হিমছড়ির পেঁচারদ্বীপ জাদুঘর-সংলগ্ন রেজু খাল পেরিয়ে সমুদ্র ও খালের মোহনায় জেগে ওঠা একটি বালুচরে বেড়াতে যান। বিকেলের দিকে সাগরে জোয়ার শুরু হলে ধীরে ধীরে বালুচরটি পানিতে তলিয়ে যায়। বিষয়টি বুঝতে না পারায় পর্যটকেরা একপর্যায়ে পানিতে আটকা পড়েন।
খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করেন। এ সময় চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটক দলের তিন সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে উদ্ধার করা হয় আরও একজনের মরদেহ।
জীবিত উদ্ধার হওয়া তিনজন হলেন রাকিব হাসান, মো. সানী ও মোহাম্মদ আকাশ। তাঁরা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সানী ও আকাশ জানান, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ট্রেনে করে তাঁরা কক্সবাজারে পৌঁছান। পরে পেঁচারদ্বীপে আগে থেকে বুকিং করা একটি রিসোর্টে ওঠেন। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাঁরা রেজু খাল পেরিয়ে বালুচরে যান। সেখানে একই সময়ে ঢাকার আরেকটি পর্যটক দলও অবস্থান করছিল। হঠাৎ জোয়ারের পানি বেড়ে গেলে তাঁরা বিপদের মুখে পড়েন।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, নিহত চারজনের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে, নিখোঁজ একজনের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে ওই পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুর্ঘটনাস্থল থেকে অদূরের সৈকতে ভেসে আসা মরদেহটি চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ কবিরের ছেলে মোহাম্মদ হারুনের বলে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেছেন তার স্বজনেরা।
এর আগে বুধবার বিকেলে হিমছড়ি এলাকার মারিনা রিসোর্টের পাশের সৈকতে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পরপর তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা হলেন ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ির বাসিন্দা রোহান (২৩) ও শহীদুল ইসলাম জিসান (২৩) এবং চট্টগ্রামের বায়েজিদ শার্সা এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আকাশ (২১)। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ঢাকার আজিমপুরের বাসিন্দা নাফিসুল হক নিবিড় (২২)।
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান জানান, প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পর্যটকদের দুটি পৃথক দল হিমছড়ির পেঁচারদ্বীপ জাদুঘর-সংলগ্ন রেজু খাল পেরিয়ে সমুদ্র ও খালের মোহনায় জেগে ওঠা একটি বালুচরে বেড়াতে যান। বিকেলের দিকে সাগরে জোয়ার শুরু হলে ধীরে ধীরে বালুচরটি পানিতে তলিয়ে যায়। বিষয়টি বুঝতে না পারায় পর্যটকেরা একপর্যায়ে পানিতে আটকা পড়েন।
খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করেন। এ সময় চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটক দলের তিন সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে উদ্ধার করা হয় আরও একজনের মরদেহ।
জীবিত উদ্ধার হওয়া তিনজন হলেন রাকিব হাসান, মো. সানী ও মোহাম্মদ আকাশ। তাঁরা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সানী ও আকাশ জানান, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ট্রেনে করে তাঁরা কক্সবাজারে পৌঁছান। পরে পেঁচারদ্বীপে আগে থেকে বুকিং করা একটি রিসোর্টে ওঠেন। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাঁরা রেজু খাল পেরিয়ে বালুচরে যান। সেখানে একই সময়ে ঢাকার আরেকটি পর্যটক দলও অবস্থান করছিল। হঠাৎ জোয়ারের পানি বেড়ে গেলে তাঁরা বিপদের মুখে পড়েন।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, নিহত চারজনের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে, নিখোঁজ একজনের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
