বাগাতিপাড়ায় শেয়ালের কামড়ে এক ঘণ্টায় আহত ১১, এলাকায় আতঙ্ক
নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে শেয়ালের কামড়ে ১১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজন নারী ও নয়জন পুরুষ রয়েছেন।
আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার পর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাগাতিপাড়া পৌরসভার নওশেরা, বারইপাড়া, সোনাপাতিল, মালঞ্চি ও পেড়াবাড়িয়া মহল্লায় শেয়ালের কামড়ে একে একে ১১ জন আহত হন। পরে তাঁরা বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা নেন।
আহত পূর্ব সোনাপাতিল এলাকার বাসিন্দা ইমরান আলী (৪২) জানান, সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে সেন্টারের দিকে যাওয়ার সময় হঠাৎ একটি শেয়াল তাঁর পায়ে কামড় দেয়। পরে পা ঝাঁকিয়ে শেয়ালের মুখ থেকে নিজেকে মুক্ত করেন তিনি। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে আরও আট থেকে দশজনকে শেয়ালের কামড়ে আহত অবস্থায় দেখতে পান।
মালঞ্চি এলাকার বাসিন্দা পলি খাতুন (১৮) জানান, বাড়ি থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসার পথে হাসপাতালের গেটে একটি শেয়াল তাঁকে কামড় দেয়। পরে তিনি সেখানেই চিকিৎসা নেন।
অন্যদিকে, পৌরসভার সোনাপাতিল এলাকার বাসিন্দা আকরামুল হক (৫২) জানান, বাড়িতে প্রবেশের সময় গেট খোলামাত্র পেছন থেকে এসে একটি শেয়াল তাঁর পায়ে কামড় দেয়। আহত মাইনুল ইসলামও জানান, বাড়ি থেকে বাজারে যাওয়ার পথে একটি শেয়াল তাঁর হাতে কামড় দেয়। পরে তাঁরা দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেন।
বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শামুন আল হাসান সৌমিক জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে শেয়ালের কামড়ে আহত প্রথম রোগী হাসপাতালে আসেন। এরপর একে একে আরও রোগী আসতে থাকেন। প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে মোট ১১ জন শেয়ালের কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
তিনি আরও জানান, শেয়ালের কামড়ের শিকার হলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত ক্ষতস্থান সাবান ও প্রবাহমান পানি দিয়ে অন্তত ১৫ মিনিট ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে। পাশাপাশি, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে হবে। হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন মজুত রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার পর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাগাতিপাড়া পৌরসভার নওশেরা, বারইপাড়া, সোনাপাতিল, মালঞ্চি ও পেড়াবাড়িয়া মহল্লায় শেয়ালের কামড়ে একে একে ১১ জন আহত হন। পরে তাঁরা বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা নেন।
আহত পূর্ব সোনাপাতিল এলাকার বাসিন্দা ইমরান আলী (৪২) জানান, সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে সেন্টারের দিকে যাওয়ার সময় হঠাৎ একটি শেয়াল তাঁর পায়ে কামড় দেয়। পরে পা ঝাঁকিয়ে শেয়ালের মুখ থেকে নিজেকে মুক্ত করেন তিনি। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে আরও আট থেকে দশজনকে শেয়ালের কামড়ে আহত অবস্থায় দেখতে পান।
মালঞ্চি এলাকার বাসিন্দা পলি খাতুন (১৮) জানান, বাড়ি থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসার পথে হাসপাতালের গেটে একটি শেয়াল তাঁকে কামড় দেয়। পরে তিনি সেখানেই চিকিৎসা নেন।
অন্যদিকে, পৌরসভার সোনাপাতিল এলাকার বাসিন্দা আকরামুল হক (৫২) জানান, বাড়িতে প্রবেশের সময় গেট খোলামাত্র পেছন থেকে এসে একটি শেয়াল তাঁর পায়ে কামড় দেয়। আহত মাইনুল ইসলামও জানান, বাড়ি থেকে বাজারে যাওয়ার পথে একটি শেয়াল তাঁর হাতে কামড় দেয়। পরে তাঁরা দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেন।
বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শামুন আল হাসান সৌমিক জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে শেয়ালের কামড়ে আহত প্রথম রোগী হাসপাতালে আসেন। এরপর একে একে আরও রোগী আসতে থাকেন। প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে মোট ১১ জন শেয়ালের কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
তিনি আরও জানান, শেয়ালের কামড়ের শিকার হলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত ক্ষতস্থান সাবান ও প্রবাহমান পানি দিয়ে অন্তত ১৫ মিনিট ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে। পাশাপাশি, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে হবে। হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন মজুত রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
