সদ্য চাকরিতে যোগ দিয়েই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একমাত্র ছেলের, শোকে পাথর বাবা
দুই মেয়ের পর একমাত্র ছেলে আনোয়ার হককে ঘিরেই ছিল বৃদ্ধ বাবর আলীর শেষ বয়সের স্বপ্ন। কিছুদিন আগে স্নাতকোত্তর (এমএ) পাস করে ঢাকায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন ৩০ বছর বয়সী আনোয়ার। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় সেই ছেলেকে হারিয়ে এখন দিশেহারা ৭০ বছর বয়সী বাবা।
আজ মঙ্গলবার নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত হন আনোয়ার হক। ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে শোকে ভেঙে পড়েন বাবর আলী।
সকালে ঘুম থেকে উঠে নামাজ আদায় করে কাজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বাবর আলী। এ সময় জানতে পারেন, নাটোরের বড়াইগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর একমাত্র ছেলে মারা গেছেন। খবরটি শোনার পর যেন মুহূর্তেই থমকে যায় তাঁর পৃথিবী। যে ছেলেকে ঘিরে ছিল বৃদ্ধ বয়সের ভরসা ও বেঁচে থাকার নানা স্বপ্ন, সেই ছেলে আর কখনো ফিরে আসবে না—এ বাস্তবতা মেনে নিতে পারছেন না তিনি।
ছেলের মরদেহ নিতে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বনপাড়া হাইওয়ে থানায় পৌঁছান বাবর আলী। সেখানে একমাত্র সন্তানের নিথর দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। তাঁর আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে সেখানকার পরিবেশ।
বাবর আলী জানান, দুই মেয়ের পর আনোয়ারই ছিলেন তাঁর একমাত্র ছেলে। পড়াশোনা শেষ করে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর ছেলেকে ঘিরে অনেক স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। ভেবেছিলেন, ছেলে চাকরি করে সংসারের হাল ধরবেন, বৃদ্ধ বয়সে হবেন তাঁর অবলম্বন। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় সেই স্বপ্ন এক নিমেষেই শেষ হয়ে গেল।
পরিবারের আশা-ভরসার প্রতীক আনোয়ারের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্বজনদের মধ্যে। সদ্য কর্মজীবন শুরু করা তরুণের অকালপ্রয়াণে শোকে স্তব্ধ তাঁর পরিবার।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার সরকারপাড়ার নাটোর-পাবনা মহাসড়কে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত এবং অন্তত ৩০ জন আহত হয়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ মঙ্গলবার নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত হন আনোয়ার হক। ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে শোকে ভেঙে পড়েন বাবর আলী।
সকালে ঘুম থেকে উঠে নামাজ আদায় করে কাজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বাবর আলী। এ সময় জানতে পারেন, নাটোরের বড়াইগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর একমাত্র ছেলে মারা গেছেন। খবরটি শোনার পর যেন মুহূর্তেই থমকে যায় তাঁর পৃথিবী। যে ছেলেকে ঘিরে ছিল বৃদ্ধ বয়সের ভরসা ও বেঁচে থাকার নানা স্বপ্ন, সেই ছেলে আর কখনো ফিরে আসবে না—এ বাস্তবতা মেনে নিতে পারছেন না তিনি।
ছেলের মরদেহ নিতে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বনপাড়া হাইওয়ে থানায় পৌঁছান বাবর আলী। সেখানে একমাত্র সন্তানের নিথর দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। তাঁর আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে সেখানকার পরিবেশ।
বাবর আলী জানান, দুই মেয়ের পর আনোয়ারই ছিলেন তাঁর একমাত্র ছেলে। পড়াশোনা শেষ করে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর ছেলেকে ঘিরে অনেক স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। ভেবেছিলেন, ছেলে চাকরি করে সংসারের হাল ধরবেন, বৃদ্ধ বয়সে হবেন তাঁর অবলম্বন। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় সেই স্বপ্ন এক নিমেষেই শেষ হয়ে গেল।
পরিবারের আশা-ভরসার প্রতীক আনোয়ারের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্বজনদের মধ্যে। সদ্য কর্মজীবন শুরু করা তরুণের অকালপ্রয়াণে শোকে স্তব্ধ তাঁর পরিবার।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার সরকারপাড়ার নাটোর-পাবনা মহাসড়কে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত এবং অন্তত ৩০ জন আহত হয়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
