সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী
বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, দেশে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না। কেউ অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে দ্বিধা করা হবে না।
আজ সোমবার দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় বারোয়ারি পূজামন্দিরে আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সবাইকে সহযোগিতা করা হবে। ‘ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার’—এটাই সরকারের বার্তা। দেশের প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা সরকারের অঙ্গীকার।
তিনি বলেন, এটি প্রাচীন বাংলার ঐতিহ্য। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ, ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত। এখানে সেই সম্প্রীতি রক্ষা করার জন্য আমাদের কোনো দ্বিধা নেই।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা মেনে নেওয়া হবে না। আইন নিজস্ব গতিতে চলবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিত এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ সোমবার দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় বারোয়ারি পূজামন্দিরে আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সবাইকে সহযোগিতা করা হবে। ‘ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার’—এটাই সরকারের বার্তা। দেশের প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা সরকারের অঙ্গীকার।
তিনি বলেন, এটি প্রাচীন বাংলার ঐতিহ্য। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ, ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত। এখানে সেই সম্প্রীতি রক্ষা করার জন্য আমাদের কোনো দ্বিধা নেই।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা মেনে নেওয়া হবে না। আইন নিজস্ব গতিতে চলবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিত এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
