গাংনীতে পানিভর্তি বালতিতে ডুবে ১১ মাসের শিশুর মৃত্যু
মেহেরপুরের গাংনীতে বাড়ির উঠানে পানিভর্তি বালতিতে পড়ে পলাশ নামে ১১ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আজ সোমবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার ভোলাডাঙ্গা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত পলাশ ওই গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় শিশুটির মা বাড়ির উঠানে মহিষের গা ধোয়ানোর কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় উঠানে খেলছিল পলাশ। একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত পাশে রাখা পানিভর্তি বালতিতে পড়ে যায় সে।
পরে শিশুটিকে বালতি থেকে উদ্ধার করে দ্রুত গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান তার মা। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রাসেল রানা জানান, শিশুটিকে পরীক্ষা করে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আরিফুল ইসলাম সুজা জানান, বাড়ির উঠানে খেলার সময় অসাবধানতাবশত পানিভর্তি বালতিতে পড়ে শিশুটির মৃত্যু হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, শিশুটির মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ সোমবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার ভোলাডাঙ্গা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত পলাশ ওই গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় শিশুটির মা বাড়ির উঠানে মহিষের গা ধোয়ানোর কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় উঠানে খেলছিল পলাশ। একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত পাশে রাখা পানিভর্তি বালতিতে পড়ে যায় সে।
পরে শিশুটিকে বালতি থেকে উদ্ধার করে দ্রুত গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান তার মা। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রাসেল রানা জানান, শিশুটিকে পরীক্ষা করে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আরিফুল ইসলাম সুজা জানান, বাড়ির উঠানে খেলার সময় অসাবধানতাবশত পানিভর্তি বালতিতে পড়ে শিশুটির মৃত্যু হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, শিশুটির মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
