রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে অস্ত্র প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে বিতর্কের মুখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন।
আজ সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্বেচ্ছায় প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি চাওয়ার বিষয়টি জানান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন এবং প্রধানমন্ত্রী তাঁকে পদত্যাগের সুযোগ দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক হোসেন বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি গত ১২ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী তাঁকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেন। দায়িত্ব পালনকালে সাম্প্রতিক একটি ঘটনাকে ঘিরে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় বিষয়টি ব্যাখ্যা করতেই তিনি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে ইশরাক বলেন, তাঁর কর্মকাণ্ডের কারণে যেন প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তিনি পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার কথাও জানান তিনি।
এর আগে গতকাল রাতে ইশরাকের পদত্যাগের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। তবে প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ-সংক্রান্ত তথ্যকে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করা হয়।
গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নেমে বিতর্কের জন্ম দেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী। এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এর জেরে রোববার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
তাঁর এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্বেচ্ছায় প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি চাওয়ার বিষয়টি জানান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন এবং প্রধানমন্ত্রী তাঁকে পদত্যাগের সুযোগ দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক হোসেন বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি গত ১২ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী তাঁকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেন। দায়িত্ব পালনকালে সাম্প্রতিক একটি ঘটনাকে ঘিরে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় বিষয়টি ব্যাখ্যা করতেই তিনি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে ইশরাক বলেন, তাঁর কর্মকাণ্ডের কারণে যেন প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তিনি পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার কথাও জানান তিনি।
এর আগে গতকাল রাতে ইশরাকের পদত্যাগের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। তবে প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ-সংক্রান্ত তথ্যকে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করা হয়।
গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নেমে বিতর্কের জন্ম দেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী। এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এর জেরে রোববার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
তাঁর এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
