২০ বছরের পুরোনো বাস ও মিনিবাসের ফিটনেস সনদ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার এবং ফিট থাকা গাড়ি চলাচলের সুযোগ দেওয়া না হলে আগামী ১ নভেম্বর থেকে রংপুর বিভাগে সর্বাত্মক আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে রংপুর বিভাগীয় বাস-মিনিবাস মোটর মালিক সমিতি। আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না এলে ১ নভেম্বর থেকে ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করা হবে।
আজ শনিবার সন্ধ্যায় রংপুর নগরীর জেলা মোটর মালিক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রংপুর বিভাগীয় বাস-মিনিবাস মোটর মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম বসুনিয়া।
তারা জানান, ২০২৪ সালে দেশে নতুন নিবন্ধন পাওয়া বাসের সংখ্যা ছিল মাত্র ১ হাজার ৭৩৬টি। এর মধ্যে মিনিবাস ছিল মাত্র ২২০টি। ফলে এত বিপুলসংখ্যক পুরোনো যানবাহন অল্প সময়ে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব নয়। এতে গণপরিবহন সংকট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।
পরিবহন মালিকদের দাবি, গাড়ির বয়সের পরিবর্তে এর বর্তমান শারীরিক অবস্থা, যান্ত্রিক সক্ষমতা ও সড়কে চলাচলের উপযোগিতাকে ফিটনেস সনদ দেওয়ার প্রধান মাপকাঠি করা উচিত। তাদের ভাষ্য, একটি গাড়ি যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ পরিবর্তনের মাধ্যমে নিরাপদ রাখা সম্ভব হলে শুধু বয়সের কারণে সেটিকে চলাচলের অযোগ্য ঘোষণা করা যুক্তিসংগত নয়।
সংবাদ সম্মেলনে ২০১৮ সালের সড়ক পরিবহন আইনের ৪০ ধারার প্রসঙ্গ তুলে ধরে নেতারা বলেন, চেসিস ছাড়া অন্যান্য যন্ত্রাংশ পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। তাদের মতে, ফিটনেস সনদ প্রদানের ক্ষেত্রে বর্তমান সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।
তারা আরও বলেন, বিপুলসংখ্যক বাস একযোগে বাতিল বা স্ক্র্যাপ করা হলে পরিবহন খাতে বড় ধরনের আর্থিক চাপ সৃষ্টি হবে। নতুন গাড়ি আমদানিতে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হবে, যা দেশের অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ ফেলতে পারে। তাদের মতে, পুরোনো গাড়িতে প্রয়োজনীয় নতুন যন্ত্রাংশ সংযোজন করে পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করা তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী বিকল্প।
রংপুর বিভাগের অর্থনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরে পরিবহন নেতারা বলেন, কৃষিনির্ভর এ অঞ্চলের অনেক মালিকের পক্ষে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে নতুন বাস কেনা কঠিন। তারা অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ও আমদানিকারকদের সুবিধা দিতে সরকারকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে কোনো প্রমাণ উপস্থাপনের তথ্য জানানো হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা মোটর মালিক সমিতির উপদেষ্টা ও রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল, রংপুর বিভাগীয় বাস-মিনিবাস মোটর মালিক সমিতির সভাপতি শ্রী ভবানী শংকর আগরওয়াল, সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিমুল বারী রাজসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা।
পরিবহন মালিক সমিতির নেতারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের দাবি মেনে নেওয়ার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না এলে আগামী ১ নভেম্বর থেকে ধর্মঘটসহ কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে। এতে রংপুর বিভাগের গণপরিবহন চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ শনিবার সন্ধ্যায় রংপুর নগরীর জেলা মোটর মালিক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রংপুর বিভাগীয় বাস-মিনিবাস মোটর মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম বসুনিয়া।
তারা জানান, ২০২৪ সালে দেশে নতুন নিবন্ধন পাওয়া বাসের সংখ্যা ছিল মাত্র ১ হাজার ৭৩৬টি। এর মধ্যে মিনিবাস ছিল মাত্র ২২০টি। ফলে এত বিপুলসংখ্যক পুরোনো যানবাহন অল্প সময়ে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব নয়। এতে গণপরিবহন সংকট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।
পরিবহন মালিকদের দাবি, গাড়ির বয়সের পরিবর্তে এর বর্তমান শারীরিক অবস্থা, যান্ত্রিক সক্ষমতা ও সড়কে চলাচলের উপযোগিতাকে ফিটনেস সনদ দেওয়ার প্রধান মাপকাঠি করা উচিত। তাদের ভাষ্য, একটি গাড়ি যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ পরিবর্তনের মাধ্যমে নিরাপদ রাখা সম্ভব হলে শুধু বয়সের কারণে সেটিকে চলাচলের অযোগ্য ঘোষণা করা যুক্তিসংগত নয়।
সংবাদ সম্মেলনে ২০১৮ সালের সড়ক পরিবহন আইনের ৪০ ধারার প্রসঙ্গ তুলে ধরে নেতারা বলেন, চেসিস ছাড়া অন্যান্য যন্ত্রাংশ পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। তাদের মতে, ফিটনেস সনদ প্রদানের ক্ষেত্রে বর্তমান সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।
তারা আরও বলেন, বিপুলসংখ্যক বাস একযোগে বাতিল বা স্ক্র্যাপ করা হলে পরিবহন খাতে বড় ধরনের আর্থিক চাপ সৃষ্টি হবে। নতুন গাড়ি আমদানিতে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হবে, যা দেশের অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ ফেলতে পারে। তাদের মতে, পুরোনো গাড়িতে প্রয়োজনীয় নতুন যন্ত্রাংশ সংযোজন করে পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করা তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী বিকল্প।
রংপুর বিভাগের অর্থনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরে পরিবহন নেতারা বলেন, কৃষিনির্ভর এ অঞ্চলের অনেক মালিকের পক্ষে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে নতুন বাস কেনা কঠিন। তারা অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ও আমদানিকারকদের সুবিধা দিতে সরকারকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে কোনো প্রমাণ উপস্থাপনের তথ্য জানানো হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা মোটর মালিক সমিতির উপদেষ্টা ও রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল, রংপুর বিভাগীয় বাস-মিনিবাস মোটর মালিক সমিতির সভাপতি শ্রী ভবানী শংকর আগরওয়াল, সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিমুল বারী রাজসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা।
পরিবহন মালিক সমিতির নেতারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের দাবি মেনে নেওয়ার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না এলে আগামী ১ নভেম্বর থেকে ধর্মঘটসহ কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে। এতে রংপুর বিভাগের গণপরিবহন চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
