দিল্লিতে ফের আটক ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে
ভারতের দিল্লিতে আবারও আটক হয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার কয়েক মিনিট আগে তাকে আটক করে পুলিশ।
দীপকের এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল দলটির দুই সহ-প্রতিষ্ঠাতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানানো। এর আগে যন্তরমন্তরে পতাকা উত্তোলনের সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারকে সুবিধা পাইয়ে দিতে তিনি ভোটার তালিকা থেকে কয়েক কোটি মানুষকে বাদ দিয়েছেন। এরমধ্যে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ৭০ লাখ মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। নির্বাচন শেষ পরপরই আবার তাদের নাম যোগ করা হয়।
এর আগে গত ১০ অক্টোবর দিল্লির বিমানবন্দর থেকে অভিজিৎ দীপকেকে আটক করা হয়েছিল। পরদিন মুক্তি পেয়ে তিনি পরিবারের কাছে ফিরে যান। এর আগের দিন বার্ধক্যজনিত কারণে তার দাদি মারা যান।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সম্প্রতি আন্দোলন করে আসছেন ককরোচ জনতা পার্টির তরুণ সমর্থকরা। তাদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারকে সুবিধা দিতে ভোটার তালিকা থেকে কয়েক কোটি মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।
দলটির দাবি, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৭০ লাখ মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই তাদের নাম আবার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য এখানে উল্লেখ করা হয়নি।
গত ১০ অক্টোবর যন্তরমন্তরে জড়ো হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল ককরোচ পার্টি। কিন্তু ওইদিন পুলিশ কাউকে সেখানে যেতে দেয়নি। এছাড়া অভিজিৎ, আশুতোষ এবং সৌরভকেও ওইদিন আটক করা হয়। এর পরেরদিন তারা ছাড়া পান। এরপর ১৩ অক্টোবর যন্তরমন্তরে গিয়ে পতাকা উড়ান আশুতোষ ও সৌরভ। তখনই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
দুই সহ-প্রতিষ্ঠাতার গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে শুক্রবার দিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। তবে কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগেই ফের পুলিশের হাতে আটক হলেন দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।
সূত্র: এনডিটিভি
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
দীপকের এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল দলটির দুই সহ-প্রতিষ্ঠাতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানানো। এর আগে যন্তরমন্তরে পতাকা উত্তোলনের সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারকে সুবিধা পাইয়ে দিতে তিনি ভোটার তালিকা থেকে কয়েক কোটি মানুষকে বাদ দিয়েছেন। এরমধ্যে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ৭০ লাখ মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। নির্বাচন শেষ পরপরই আবার তাদের নাম যোগ করা হয়।
এর আগে গত ১০ অক্টোবর দিল্লির বিমানবন্দর থেকে অভিজিৎ দীপকেকে আটক করা হয়েছিল। পরদিন মুক্তি পেয়ে তিনি পরিবারের কাছে ফিরে যান। এর আগের দিন বার্ধক্যজনিত কারণে তার দাদি মারা যান।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সম্প্রতি আন্দোলন করে আসছেন ককরোচ জনতা পার্টির তরুণ সমর্থকরা। তাদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারকে সুবিধা দিতে ভোটার তালিকা থেকে কয়েক কোটি মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।
দলটির দাবি, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৭০ লাখ মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই তাদের নাম আবার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য এখানে উল্লেখ করা হয়নি।
গত ১০ অক্টোবর যন্তরমন্তরে জড়ো হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল ককরোচ পার্টি। কিন্তু ওইদিন পুলিশ কাউকে সেখানে যেতে দেয়নি। এছাড়া অভিজিৎ, আশুতোষ এবং সৌরভকেও ওইদিন আটক করা হয়। এর পরেরদিন তারা ছাড়া পান। এরপর ১৩ অক্টোবর যন্তরমন্তরে গিয়ে পতাকা উড়ান আশুতোষ ও সৌরভ। তখনই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
দুই সহ-প্রতিষ্ঠাতার গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে শুক্রবার দিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। তবে কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগেই ফের পুলিশের হাতে আটক হলেন দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।
সূত্র: এনডিটিভি
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
