ময়মনসিংহে সোহেল হত্যা: বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন
ময়মনসিংহের ত্রিশালে সোহেল হত্যা মামলায় বাবা-ছেলেসহ চার আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বাকি ১২ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক ফারজানা আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ত্রিশাল উপজেলার বাঘাদাড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার বেপারীর ছেলে আব্দুস সাত্তার বেপারী (৭৫), তাঁর দুই ছেলে আলমগীর মিয়া (৫৩) ও রনি (৩৭) এবং ছোট ভাই আশিকুর রহমান আশিক (৩৫)। তাঁদের মধ্যে আলমগীর, রনি ও আশিক বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আব্দুল মালেক জানান, ২০১১ সালের ২ জুন ত্রিশাল থানায় সোহেল হত্যা মামলাটি দায়ের করেন বাঘাদাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সালাম বেপারী। মামলায় অভিযোগপত্র দাখিলের পর সাক্ষ্য-প্রমাণ ও দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এইচএম খালেকুজ্জামান।
মামলার বিবরণে জানা যায়, বাদী আব্দুস সালাম বেপারী ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুস সাত্তার বেপারী সহোদর ভাই। জমিজমা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধের জেরে ২০১১ সালের ২৮ মে বাদীর বড় ছেলে সোহেলের ওপর পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালান দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা। এতে সোহেল গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৯ মে তার মৃত্যু হয়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক ফারজানা আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ত্রিশাল উপজেলার বাঘাদাড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার বেপারীর ছেলে আব্দুস সাত্তার বেপারী (৭৫), তাঁর দুই ছেলে আলমগীর মিয়া (৫৩) ও রনি (৩৭) এবং ছোট ভাই আশিকুর রহমান আশিক (৩৫)। তাঁদের মধ্যে আলমগীর, রনি ও আশিক বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আব্দুল মালেক জানান, ২০১১ সালের ২ জুন ত্রিশাল থানায় সোহেল হত্যা মামলাটি দায়ের করেন বাঘাদাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সালাম বেপারী। মামলায় অভিযোগপত্র দাখিলের পর সাক্ষ্য-প্রমাণ ও দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এইচএম খালেকুজ্জামান।
মামলার বিবরণে জানা যায়, বাদী আব্দুস সালাম বেপারী ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুস সাত্তার বেপারী সহোদর ভাই। জমিজমা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধের জেরে ২০১১ সালের ২৮ মে বাদীর বড় ছেলে সোহেলের ওপর পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালান দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা। এতে সোহেল গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৯ মে তার মৃত্যু হয়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
