সোনারগাঁয়ে গ্যাস বিস্ফোরণে প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর, আশঙ্কাজনক আরও দুজন
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে গ্যাসের চাপ বৃদ্ধির কম্প্রেসার লাইনের বিস্ফোরণে দগ্ধ হওয়ার চারদিন পর স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ভোরে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শরীফ হোসেন (৩৪) ও তার স্ত্রী রোজিনা আক্তার (৩০)।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সার্জন সুলতান মাহমুদ শিকদার তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চিকিৎসক জানান, বিস্ফোরণে রোজিনার শরীরের ৬০ শতাংশ এবং শরীফের ৪০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। বৃহস্পতিবার ভোর পৌনে ৪টার দিকে রোজিনা এবং ভোর ৪টার দিকে শরীফ মারা যান।
এর আগে গত শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরের সোনাপুর উত্তরপাড়া গ্রামের শাহ আলম মিয়ার ছয়তলা ভবন ইসলাম টাওয়ারের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে গ্যাসের চাপ বৃদ্ধির কম্প্রেসার লাইনে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে শরীফ, তার স্ত্রী রোজিনা, শ্যালক রিয়াজ ও ভবনটির তত্ত্বাবধায়ক রনি মিয়া দগ্ধ হন। তাদের শরীরের যথাক্রমে ৪০ ও ৭০ শতাংশ পুড়ে গেছে। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, তারাও আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ বৃহস্পতিবার ভোরে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শরীফ হোসেন (৩৪) ও তার স্ত্রী রোজিনা আক্তার (৩০)।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সার্জন সুলতান মাহমুদ শিকদার তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চিকিৎসক জানান, বিস্ফোরণে রোজিনার শরীরের ৬০ শতাংশ এবং শরীফের ৪০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। বৃহস্পতিবার ভোর পৌনে ৪টার দিকে রোজিনা এবং ভোর ৪টার দিকে শরীফ মারা যান।
এর আগে গত শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরের সোনাপুর উত্তরপাড়া গ্রামের শাহ আলম মিয়ার ছয়তলা ভবন ইসলাম টাওয়ারের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে গ্যাসের চাপ বৃদ্ধির কম্প্রেসার লাইনে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে শরীফ, তার স্ত্রী রোজিনা, শ্যালক রিয়াজ ও ভবনটির তত্ত্বাবধায়ক রনি মিয়া দগ্ধ হন। তাদের শরীরের যথাক্রমে ৪০ ও ৭০ শতাংশ পুড়ে গেছে। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, তারাও আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
