বন্ধুকে চমকে দিতে গিয়ে বিপাকে ফারিয়া, ঘুমেই কাটল পিয়ার জন্মদিনের প্রথম প্রহর
মডেল, অভিনেত্রী ও আইনজীবী পিয়া জান্নাতুলের জন্মদিনে তাঁকে চমকে দিতে গিয়ে উল্টো নিজেই অবাক হয়েছেন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। রাত ১২টার পর কেক ও উপহার নিয়ে পিয়ার বাসায় হাজির হলেও বন্ধুর দেখা পাননি তিনি। কারণ, জন্মদিনের প্রথম প্রহরেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন পিয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
আজ পিয়া জান্নাতুলের জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে প্রিয় বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে ব্যতিক্রমী পরিকল্পনা করেছিলেন শবনম ফারিয়া। কয়েকজন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে মধ্যরাতে পিয়ার বাসার সামনে হাজির হন তিনি। সঙ্গে ছিল কেক ও নানা উপহার। উদ্দেশ্য ছিল, জন্মদিনের প্রথম মুহূর্তেই বন্ধুকে চমকে দেওয়া।
তবে পরিকল্পনামতো কিছুই হলো না। দীর্ঘ সময় দরজায় কড়া নাড়লেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাননি ফারিয়ারা। প্রায় আধা ঘণ্টা অপেক্ষার পরও দরজা না খোলায় শেষ পর্যন্ত পিয়ার বাসার সামনেই একটি ভিডিও ধারণ করেন ফারিয়া।
ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘এটা পিয়া জান্নাতুলের বাসা। আধা ঘণ্টা ধরে আমরা নক করছি, কিন্তু যার জন্মদিন, সে দরজা খুলছে না। সে ঘুমিয়ে আছে। সো, পিয়া হ্যাপি বার্থডে। সকালে উঠে ভিডিওটা দেখো।’
পরে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ফারিয়ার সেই ভিডিওর নিচে মন্তব্য করেন পিয়া। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি লেখেন, ‘তোমরা তো জানো, আমি জলদি ঘুমিয়ে যাই। অন্তত ১০টার দিকেও বলতে পারতে যে, তোমরা আসবে। পুরা বাসা ঘুমিয়ে গিয়েছিল। সো সরি। আর অনেক ধন্যবাদ।’
এদিকে, মধ্যরাতের সেই মজার ঘটনার পর পিয়াকে নিয়ে আরেকটি পোস্ট দেন শবনম ফারিয়া। সেখানে তাঁদের একসঙ্গে কাটানো মুহূর্তের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান তিনি। পাশাপাশি বন্ধুত্বের গুরুত্ব নিয়েও নিজের অনুভূতি তুলে ধরেন।
ফারিয়া লেখেন, ‘প্রতিটা মানুষের জীবনে এমন একজন বন্ধু থাকা দরকার, যে প্রয়োজনে তাকে একটা রিয়ালিটি চেক দিতে পারবে! একটা বয়সের পর বন্ধুত্ব মানে শুধু সবকিছুতে একমত হওয়া, আড্ডা দেওয়া কিংবা শপিং করা নয়। বন্ধুত্ব মানে ভুলগুলো ধরিয়ে দেওয়া, জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নিতে সাহায্য করা, আর প্রয়োজনে শক্ত করে পাশে দাঁড়ানো।’
এদিকে ভিডিও বার্তার পর পিয়াকে আবার পোস্ট করেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফারিয়া। সেখানে দুজনের একগুচ্ছ ছবি দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে ফারিয়া লেখেন, ‘প্রতিটা মানুষের জীবনে এমন একজন বন্ধু থাকা দরকার, যে প্রয়োজনে তাকে একটা রিয়ালিটি চেক দিতে পারবে! একটা বয়সের পর বন্ধুত্ব মানে শুধু সবকিছুতে একমত হওয়া, আড্ডা দেওয়া কিংবা শপিং করা নয়। বন্ধুত্ব মানে ভুলগুলো ধরিয়ে দেওয়া, জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নিতে সাহায্য করা, আর প্রয়োজনে শক্ত করে পাশে দাঁড়ানো। পিয়াকে অনেক আগে থেকেই চিনতাম, একই জায়গায় কাজের সুবাদে। কিন্তু আমাদের বন্ধুত্বটা হয়েছে ৩০ পার হওয়ার পর। আর সত্যি বলতে, ম্যাচিউর ফিমেল ফ্রেন্ডশিপের মতো সুন্দর সম্পর্ক পৃথিবীতে খুব কমই আছে। একটা বয়সের পর একজন বন্ধু কখনো বোন, কখনো গার্ডিয়ান, আবার কখনো সবচেয়ে ভরসার অ্যাডভাইজার হয়ে ওঠে।’
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ পিয়া জান্নাতুলের জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে প্রিয় বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে ব্যতিক্রমী পরিকল্পনা করেছিলেন শবনম ফারিয়া। কয়েকজন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে মধ্যরাতে পিয়ার বাসার সামনে হাজির হন তিনি। সঙ্গে ছিল কেক ও নানা উপহার। উদ্দেশ্য ছিল, জন্মদিনের প্রথম মুহূর্তেই বন্ধুকে চমকে দেওয়া।
তবে পরিকল্পনামতো কিছুই হলো না। দীর্ঘ সময় দরজায় কড়া নাড়লেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাননি ফারিয়ারা। প্রায় আধা ঘণ্টা অপেক্ষার পরও দরজা না খোলায় শেষ পর্যন্ত পিয়ার বাসার সামনেই একটি ভিডিও ধারণ করেন ফারিয়া।
ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘এটা পিয়া জান্নাতুলের বাসা। আধা ঘণ্টা ধরে আমরা নক করছি, কিন্তু যার জন্মদিন, সে দরজা খুলছে না। সে ঘুমিয়ে আছে। সো, পিয়া হ্যাপি বার্থডে। সকালে উঠে ভিডিওটা দেখো।’
পরে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ফারিয়ার সেই ভিডিওর নিচে মন্তব্য করেন পিয়া। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি লেখেন, ‘তোমরা তো জানো, আমি জলদি ঘুমিয়ে যাই। অন্তত ১০টার দিকেও বলতে পারতে যে, তোমরা আসবে। পুরা বাসা ঘুমিয়ে গিয়েছিল। সো সরি। আর অনেক ধন্যবাদ।’
এদিকে, মধ্যরাতের সেই মজার ঘটনার পর পিয়াকে নিয়ে আরেকটি পোস্ট দেন শবনম ফারিয়া। সেখানে তাঁদের একসঙ্গে কাটানো মুহূর্তের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান তিনি। পাশাপাশি বন্ধুত্বের গুরুত্ব নিয়েও নিজের অনুভূতি তুলে ধরেন।
ফারিয়া লেখেন, ‘প্রতিটা মানুষের জীবনে এমন একজন বন্ধু থাকা দরকার, যে প্রয়োজনে তাকে একটা রিয়ালিটি চেক দিতে পারবে! একটা বয়সের পর বন্ধুত্ব মানে শুধু সবকিছুতে একমত হওয়া, আড্ডা দেওয়া কিংবা শপিং করা নয়। বন্ধুত্ব মানে ভুলগুলো ধরিয়ে দেওয়া, জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নিতে সাহায্য করা, আর প্রয়োজনে শক্ত করে পাশে দাঁড়ানো।’
এদিকে ভিডিও বার্তার পর পিয়াকে আবার পোস্ট করেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফারিয়া। সেখানে দুজনের একগুচ্ছ ছবি দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে ফারিয়া লেখেন, ‘প্রতিটা মানুষের জীবনে এমন একজন বন্ধু থাকা দরকার, যে প্রয়োজনে তাকে একটা রিয়ালিটি চেক দিতে পারবে! একটা বয়সের পর বন্ধুত্ব মানে শুধু সবকিছুতে একমত হওয়া, আড্ডা দেওয়া কিংবা শপিং করা নয়। বন্ধুত্ব মানে ভুলগুলো ধরিয়ে দেওয়া, জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নিতে সাহায্য করা, আর প্রয়োজনে শক্ত করে পাশে দাঁড়ানো। পিয়াকে অনেক আগে থেকেই চিনতাম, একই জায়গায় কাজের সুবাদে। কিন্তু আমাদের বন্ধুত্বটা হয়েছে ৩০ পার হওয়ার পর। আর সত্যি বলতে, ম্যাচিউর ফিমেল ফ্রেন্ডশিপের মতো সুন্দর সম্পর্ক পৃথিবীতে খুব কমই আছে। একটা বয়সের পর একজন বন্ধু কখনো বোন, কখনো গার্ডিয়ান, আবার কখনো সবচেয়ে ভরসার অ্যাডভাইজার হয়ে ওঠে।’
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
