টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ২০ ইউনিট
গাজীপুরের টঙ্গীতে এসেনশিয়াল ড্রাগস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ওষুধ কারখানায় লাগা আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট কাজ করছে। পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযানে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকার বেক্সিমকো রোডে অবস্থিত কারখানাটির ইউনিট-২-এর একটি ভবনের পিন সেকশনে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ভবনটির বিভিন্ন অংশে এবং আশপাশের ভবনেও ছড়িয়ে পড়ে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় টঙ্গী, গাজীপুর, জয়দেবপুর, পূবাইল ও উত্তরাসহ আশপাশের বিভিন্ন ফায়ার স্টেশন থেকে ২০টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তবে বুধবার দুপুর ১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাইদুল আলম চৌধুরী জানান, আগুনের ভয়াবহতা বাড়তে থাকায় বর্তমানে ২০টি ইউনিট কাজ করছে। এ ছাড়া দুপুর দেড়টার দিকে কারখানার আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত ও উদ্ধার অভিযানে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে।
তিনি আরও জানান, আগুন নেভানোর কাজে কারখানার ভেতরে থাকা সচল পাম্পের পাশাপাশি আশপাশের বসতবাড়ির পাম্প থেকেও পানি সংগ্রহ করা হচ্ছে।
এদিকে কারখানাটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় আশপাশের এলাকা কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আগুনের সূত্রপাতের কারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকার বেক্সিমকো রোডে অবস্থিত কারখানাটির ইউনিট-২-এর একটি ভবনের পিন সেকশনে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ভবনটির বিভিন্ন অংশে এবং আশপাশের ভবনেও ছড়িয়ে পড়ে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় টঙ্গী, গাজীপুর, জয়দেবপুর, পূবাইল ও উত্তরাসহ আশপাশের বিভিন্ন ফায়ার স্টেশন থেকে ২০টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তবে বুধবার দুপুর ১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাইদুল আলম চৌধুরী জানান, আগুনের ভয়াবহতা বাড়তে থাকায় বর্তমানে ২০টি ইউনিট কাজ করছে। এ ছাড়া দুপুর দেড়টার দিকে কারখানার আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত ও উদ্ধার অভিযানে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে।
তিনি আরও জানান, আগুন নেভানোর কাজে কারখানার ভেতরে থাকা সচল পাম্পের পাশাপাশি আশপাশের বসতবাড়ির পাম্প থেকেও পানি সংগ্রহ করা হচ্ছে।
এদিকে কারখানাটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় আশপাশের এলাকা কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আগুনের সূত্রপাতের কারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
