রাজধানীর তিন বারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান, মিলল নানা অনিয়ম
রাজধানীর পাঁচ তারকা মানের হোটেল আমারি, কিংফিশার বার ও ব্লিজ আর্ট বারে অভিযান চালিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। অভিযানে হোটেল আমারিতে পারমিট ছাড়া মদ্যপানের অভিযোগে সাতজনকে পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, কিংফিশার বারে বৈধ কাগজপত্রবিহীন ১৪ লিটার বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানকালে ব্লিজ আর্ট বার বন্ধ পাওয়া যায়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের নিয়মিত অভিযান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বার পরিচালনার লাইসেন্সের শর্ত ও আইনগত বৈধতা যাচাই করা হয়।
অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, হোটেল আমারিতে পারমিটবিহীন অবস্থায় মদ্যপানরত সাতজনকে শনাক্ত করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
অন্যদিকে, কিংফিশার বারে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ১৪ লিটার কেরু ব্র্যান্ডের বিলাতী মদ পাওয়া যায়। এ ঘটনায়ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এ ছাড়া, ব্লিজ আর্ট বারে অভিযান চালাতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে বারটির কার্যক্রম ও সম্ভাব্য অনিয়ম যাচাইয়ের জন্য সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন অভিযানসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত ২০২৬)-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী প্রযোজ্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধ, লাইসেন্সের শর্ত যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিতকরণ এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধ দমনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এ ধরনের অভিযান ও তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের নিয়মিত অভিযান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বার পরিচালনার লাইসেন্সের শর্ত ও আইনগত বৈধতা যাচাই করা হয়।
অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, হোটেল আমারিতে পারমিটবিহীন অবস্থায় মদ্যপানরত সাতজনকে শনাক্ত করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
অন্যদিকে, কিংফিশার বারে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ১৪ লিটার কেরু ব্র্যান্ডের বিলাতী মদ পাওয়া যায়। এ ঘটনায়ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এ ছাড়া, ব্লিজ আর্ট বারে অভিযান চালাতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে বারটির কার্যক্রম ও সম্ভাব্য অনিয়ম যাচাইয়ের জন্য সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন অভিযানসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত ২০২৬)-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী প্রযোজ্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধ, লাইসেন্সের শর্ত যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিতকরণ এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধ দমনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এ ধরনের অভিযান ও তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
