ATN
শিরোনাম
  •  

বাধা দিলেই সেখানে আন্দোলন, যন্তরমন্তর ঘিরে পুলিশের কড়াকড়ির মধ্যে ককরোচ পার্টির নতুন বার্তা

         
বাধা দিলেই সেখানে আন্দোলন, যন্তরমন্তর ঘিরে পুলিশের কড়াকড়ির মধ্যে ককরোচ পার্টির নতুন বার্তা

বাধা দিলেই সেখানে আন্দোলন, যন্তরমন্তর ঘিরে পুলিশের কড়াকড়ির মধ্যে ককরোচ পার্টির নতুন বার্তা

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আজ রাজধানী দিল্লির যন্তরমন্তরে জড়ো হওয়ার কথা ছিল ককরোচ জনতা পার্টির নেতাকর্মী ও বিক্ষোভকারীদের।

তবে পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি ও বাধার কারণে বিক্ষোভকারীরা যন্তরমন্তরে এখন পর্যন্ত জড়ো হতে পারেননি। এমন অবস্থায় ককরোচ পার্টি নতুন নির্দেশনা দিয়েছে। দলটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নেতা অজিঙ্কা সিন্ধে বলেছেন, “যেখানে আপনাদের আটকাবে, সেই জায়গাকে যন্তরমন্তরে পরিণত করুন।”

কয়েক মাস আগে যন্তরমন্তরে দীর্ঘ আন্দোলন করে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ নিশ্চিত করেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। এখন তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেন্দ্র কুমারের পদত্যাগ চাইছেন।

মূলত ভোটার তালিকা থেকে কয়েক কোটি নাম বাদ দেওয়ায় দেশটির তরুণরা জ্ঞানেন্দ্রর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তারা বলেছেন, জ্ঞানেন্দ্র মোদি সরকারের আজ্ঞাবহ ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন, ফলে তার অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া সম্ভব নয়।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির সাংবাদিক গীতা পান্ডে যন্তরমন্তর থেকে জানিয়েছেন, বিক্ষোভস্থল ঘিরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। মাথার ওপর ড্রোন উড়তে দেখা গেছে এবং বিভিন্ন স্থানে বসানো হয়েছে ভারী লোহার ব্যারিকেড। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাউকে বিক্ষোভস্থলে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে তিনি জানান।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া কয়েকজন সাংবাদিককেও আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে নিউজলন্ড্রি ও স্ক্রলের সাংবাদিক রয়েছেন বলে জানিয়েছেন গীতা পান্ডে। প্রায় এক হাজার বিক্ষোভকারী আটকের দাবি

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার রাত থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত প্রায় এক হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দ্বীপসহ দলটির কয়েকজন শীর্ষ নেতাও রয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তিনি জার্মানি থেকে আন্দোলনে অংশ নিতে ভারতে এসেছিলেন বলে উল্লেখ রয়েছে। কেন নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ চাইছেন বিক্ষোভকারীরা?

ভোটার তালিকা থেকে কয়েক কোটি নাম বাদ পড়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তিনি নরেন্দ্র মোদি সরকারের প্রতি অনুগত হয়ে পড়েছেন। তাঁদের মতে, তাঁর নেতৃত্বে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন জোরদার করতে চাইছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলটির নেতার নতুন আহ্বান থেকে বোঝা যাচ্ছে, নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলে প্রবেশ করতে না পারলেও অন্য জায়গায় প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

এর আগে যন্তরমন্তরে দীর্ঘ আন্দোলনের মাধ্যমে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ নিশ্চিত করার দাবি করেছিল দলটি। এবার নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে নতুন করে আন্দোলনে নেমেছে তারা।

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট বিশ্ব সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ