আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টের শুরুটা দুর্দান্ত হয় বাংলাদেশের। পরবর্তীতে ইতিবাচক ছিলেন টপঅর্ডার ব্যাটাররাও। কিন্তু দ্বিতীয় সেশন শেষ হওয়ার আগমুহূর্তে হুট করেই যেন ঘটল ছন্দপতন। ৪ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারাল বাংলাদেশ দল।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দ্বিতীয় সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২২৬ রান। এখন ব্যাট করছেন লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ।
আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। নিরপেক্ষ ভেন্যুতে এটিই বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের প্রথম ম্যাচ। একাদশে স্পিনার নাঈম হাসান, তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজের পাশাপাশি পেস আক্রমণে রয়েছেন হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেন।
ইনিংসের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ব্যাটিং করেন তানজিদ। তাঁর ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে শুরুতে চাপে পড়ে আফগানিস্তানের বোলাররা। অন্যদিকে, সাদমান ইসলামের কয়েকটি অনিয়ন্ত্রিত শট ছাড়া বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে খুব বেশি অস্বস্তি দেখা যায়নি। তানজিদ আউট হলেও প্রথম সেশনে ভালো অবস্থান তৈরি করে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় সেশনেও ব্যাট হাতে ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। দ্বিতীয় উইকেটে সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক গড়েন ৬০ রানের জুটি। ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূরণের পর ৬৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন সাদমান।
এরপর মুমিনুল হক ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত দলকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে দুজনের কেউই অর্ধশতকের দেখা পাননি। ইয়ামিন আহমেদজাইয়ের বলে আউট হওয়ার আগে মুমিনুল করেন ৩৯ রান। অন্যদিকে, কায়েস আহমেদের বলে রহমানউল্লাহর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শান্ত। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ২৯ রান।
দ্বিতীয় সেশনেও দুর্দান্ত ব্যাট করতে থাকেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে সাদমান ও মুমিনুল মিলে তোলেন ৬০ রান। ব্যক্তিগত ফিফটি পূরণের পর ৬৭ আউট হন সাদমান। ব্যাট হাতে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলছিলেন মুমিনুল হক ও দলনেতা নামজুল হোসেন শান্ত। কিন্তু দুজনের কেউই ফিফটি পূরণ করতে পারেননি।
ইয়ামিন আহমেদজাইয়ের বলে আউট হওয়ার আগে ৩৯ রান করেন মুমিনুল। আর কায়েস আহমেদের করা বলে রহমানুল্লাহর হাতে ক্যাচ তুলে দেন শান্ত। আউট হওয়ার আগে ২৯ রান করেন তিনি।
এরপর দ্রুত সাজঘরে ফেরেন মুশফিকুর রহিমও। ৭ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি এই অভিজ্ঞ ব্যাটার।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দ্বিতীয় সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২২৬ রান। এখন ব্যাট করছেন লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ।
আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। নিরপেক্ষ ভেন্যুতে এটিই বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের প্রথম ম্যাচ। একাদশে স্পিনার নাঈম হাসান, তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজের পাশাপাশি পেস আক্রমণে রয়েছেন হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেন।
ইনিংসের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ব্যাটিং করেন তানজিদ। তাঁর ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে শুরুতে চাপে পড়ে আফগানিস্তানের বোলাররা। অন্যদিকে, সাদমান ইসলামের কয়েকটি অনিয়ন্ত্রিত শট ছাড়া বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে খুব বেশি অস্বস্তি দেখা যায়নি। তানজিদ আউট হলেও প্রথম সেশনে ভালো অবস্থান তৈরি করে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় সেশনেও ব্যাট হাতে ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। দ্বিতীয় উইকেটে সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক গড়েন ৬০ রানের জুটি। ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূরণের পর ৬৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন সাদমান।
এরপর মুমিনুল হক ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত দলকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে দুজনের কেউই অর্ধশতকের দেখা পাননি। ইয়ামিন আহমেদজাইয়ের বলে আউট হওয়ার আগে মুমিনুল করেন ৩৯ রান। অন্যদিকে, কায়েস আহমেদের বলে রহমানউল্লাহর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শান্ত। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ২৯ রান।
দ্বিতীয় সেশনেও দুর্দান্ত ব্যাট করতে থাকেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে সাদমান ও মুমিনুল মিলে তোলেন ৬০ রান। ব্যক্তিগত ফিফটি পূরণের পর ৬৭ আউট হন সাদমান। ব্যাট হাতে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলছিলেন মুমিনুল হক ও দলনেতা নামজুল হোসেন শান্ত। কিন্তু দুজনের কেউই ফিফটি পূরণ করতে পারেননি।
ইয়ামিন আহমেদজাইয়ের বলে আউট হওয়ার আগে ৩৯ রান করেন মুমিনুল। আর কায়েস আহমেদের করা বলে রহমানুল্লাহর হাতে ক্যাচ তুলে দেন শান্ত। আউট হওয়ার আগে ২৯ রান করেন তিনি।
এরপর দ্রুত সাজঘরে ফেরেন মুশফিকুর রহিমও। ৭ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি এই অভিজ্ঞ ব্যাটার।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
