ATN
শিরোনাম
  •  

বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী

         
 বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী

বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আগামীকাল ‘বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন: “বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬’ পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই।

নগরগুলো শুধু নাগরিক সুবিধা সম্বলিত নাগরিকের বসবাসের স্থানই নয়। বিশ্বজুড়েই নগরগুলো হয়ে উঠেছে কর্মসংস্থান, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও উদ্ভাবনের প্রাণকেন্দ্র। তাই পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত। কিন্তু বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের নগর অঞ্চলগুলো প্রতিনিয়ত জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান চাপ, যানজট, তীব্র দূষণ, অপর্যাপ্ত ও মানহীন আবাসনের মতো নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। এই বাস্তবতায় দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ (Adequate Housing for All)-অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে আমি মনে করি।

মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা হলো নিরাপদ, সাশ্রয়ী, দূষণমুক্ত, পর্যাপ্ত ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন। দ্রুত নগরায়ণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, ভূমির উচ্চমূল্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশে আবাসন সংকট ক্রমশ তীব্র হয়ে উঠছে। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এই বাসস্থান সংকট আরো প্রকট। সকলের জন্য মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত। তাই নাগরিকদের মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত ও জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সকলের জন্য বাসযোগ্য, সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত আবাসন নিশ্চিত করতে হবে।

অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর উন্নয়ন ও সকলের জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমি আশা করি, সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য আবাসন কর্মসূচি, জলবায়ু সহিষ্ণু অবকাঠামো নির্মাণ, নিরাপদ ভবন নির্মাণবিধির যথাযথ পরিপালন, ভূমির সুষ্ঠু ব্যবহার, স্মার্ট ও টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থা-এ সকল ক্ষেত্রে সরকারের গৃহীত পরিকল্পনা ও কর্মসূচি নাগরিক সেবা সম্প্রসারণে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ কাজে সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি অংশীজন, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী, গবেষক ও তরুণ প্রজন্মের সম্মিলিত অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

আমি আশা করি, সুপরিকল্পিত নগরায়ণ ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের নগরাঞ্চলের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে এবং বাসযোগ্য ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণ হবে। আমি ‘বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করি।”

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট জাতীয় সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ