বরিশালে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৯০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১
কুমিল্লা থেকে পিকআপে করে বরিশালে আনা হচ্ছিল ৯০ কেজি গাঁজা। বিশেষভাবে তৈরি পিকআপের গোপন চেম্বারে লুকিয়ে রাখা এসব মাদকদ্রব্য বরিশাল নগরীর রসুলপুর বরফকল এলাকায় অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় মো. রুহুল হাওলাদার (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপটিও।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত দেড়টার দিকে রসুলপুর বরফকলের সামনের সড়কে এ অভিযান চালানো হয়। শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে বরিশাল বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ খোরশিদ আলম।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রসুলপুর বরফকল এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি পিকআপে বিশেষভাবে তৈরি গোপন চেম্বারের সন্ধান পাওয়া যায়। পরে চেম্বারটি খুলে স্কচটেপে মোড়ানো ৩০টি পলিথিনের প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটে মোট ৯০ কেজি গাঁজা ছিল।
অভিযানের সময় মো. সিরাজ মিয়া ও মো. পলাশ হাওলাদার নামে আরও দুই ব্যক্তি পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কুমিল্লা থেকে অভিনব কায়দায় পিকআপের গোপন চেম্বারে করে গাঁজার চালানটি বরিশালে আনা হচ্ছিল। পরে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এসব মাদক সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, গ্রেপ্তার রুহুল হাওলাদার আঞ্চলিক মাদক চোরাচালান সিন্ডিকেটের একজন সক্রিয় সদস্য। তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত দেড়টার দিকে রসুলপুর বরফকলের সামনের সড়কে এ অভিযান চালানো হয়। শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে বরিশাল বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ খোরশিদ আলম।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রসুলপুর বরফকল এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি পিকআপে বিশেষভাবে তৈরি গোপন চেম্বারের সন্ধান পাওয়া যায়। পরে চেম্বারটি খুলে স্কচটেপে মোড়ানো ৩০টি পলিথিনের প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটে মোট ৯০ কেজি গাঁজা ছিল।
অভিযানের সময় মো. সিরাজ মিয়া ও মো. পলাশ হাওলাদার নামে আরও দুই ব্যক্তি পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কুমিল্লা থেকে অভিনব কায়দায় পিকআপের গোপন চেম্বারে করে গাঁজার চালানটি বরিশালে আনা হচ্ছিল। পরে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এসব মাদক সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, গ্রেপ্তার রুহুল হাওলাদার আঞ্চলিক মাদক চোরাচালান সিন্ডিকেটের একজন সক্রিয় সদস্য। তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
