ATN
শিরোনাম
  •  

৩ অক্টোবর বয়ফ্রেন্ড ডে: উপহারের চেয়ে ভালোবাসা ও যত্নই হোক উদযাপনের মূল কথা

         
৩ অক্টোবর বয়ফ্রেন্ড ডে: উপহারের চেয়ে ভালোবাসা ও যত্নই হোক উদযাপনের মূল কথা

৩ অক্টোবর বয়ফ্রেন্ড ডে: উপহারের চেয়ে ভালোবাসা ও যত্নই হোক উদযাপনের মূল কথা

আজকে দিনটি প্রেমিকের প্রতি ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা ও তার গুরুত্ব প্রকাশের জন্য উপযুক্ত সময়। কারণ আজ ০৩ অক্টোবর ন্যাশনাল বয়ফ্রেন্ড ডে। এ দিন প্রেমিকারা উপহার দিয়ে মনে করিয়ে দেন, তারা কতটা ভালোবাসেন তাদের প্রেমিককে। ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’ বলেই প্রেমিককে আজ দিনটি স্মরণ করিয়ে দেন প্রেমিকারা।

পৃথিবীর সব প্রেমিকার কাছে তার প্রেমিক বন্ধুর চেয়ে বেশি কিছু, আবেগ ও ভরসার স্থান। প্রেমিক হওয়া কিন্তু সহজ নয়। কেবল মিষ্টি মিষ্টি কথা আর সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন দেখানো নয়, বরং সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে কার্যকরভাবে পাশে থাকা, দমে যাওয়ার মুহূর্তে সাহস জোগানো সত্যিকার প্রেমিকের কাজ।

বয়ফ্রেন্ড হতে পারে খুব কাছের একজন ভালো বন্ধু বা প্রেমিক। তবে, কাছের বন্ধু বা প্রেমিক যেই হোক না কেন একজন ভালো বন্ধু কিন্তু সবার প্রয়োজন। যে সবসময় পাশে থেকে একজনের অনুপ্রেরণা হয়ে দেন, উৎসাহ দেন। এমন বন্ধুর জন্যেই বিশ্ব বয়ফ্রেন্ড দিবস আজ।

বয়ফ্রেন্ড ডে কবে, কীভাবে এবং কার উদ্যোগে শুরু হয়েছে—এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও একক কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। বিভিন্ন অনলাইন সূত্রে ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের উদযাপনের প্রচলন শুরু হওয়ার কথা বলা হলেও এর নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠাতা বা সূচনালগ্নের কোনো নিশ্চিত প্রমাণ নেই।

২০১০-এর দশকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দিনটি নিয়ে পোস্ট ও হ্যাশট্যাগ ব্যবহারের প্রবণতা বাড়তে থাকে। ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছবি, ভিডিও ও শুভেচ্ছা বার্তার মাধ্যমে ধীরে ধীরে দিবসটি পরিচিতি পায়।

৩ অক্টোবর তারিখটি কেন বয়ফ্রেন্ড ডে হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তারও নির্ভরযোগ্য কোনো নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা নেই। তবে ২০০৪ সালের জনপ্রিয় সিনেমা ‘মিন গার্লস’-এর একটি দৃশ্যে ৩ অক্টোবর তারিখটির উল্লেখ রয়েছে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারিখটি ঘিরে আলাদা একটি ট্রেন্ড তৈরি হয়। যদিও বয়ফ্রেন্ড ডে ৩ অক্টোবর থেকেই শুরু হয়েছিল—এমন কোনো প্রমাণ নেই। যেভাবে উদযাপন করা যায়

বয়ফ্রেন্ড ডে পালনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। নিজের সামর্থ্য ও পছন্দ অনুযায়ী সঙ্গীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করাই এ দিনের মূল বিষয়।

প্রিয় মানুষটির সঙ্গে সময় কাটানো, তার পছন্দের খাবার তৈরি করা, ছোট্ট কোনো উপহার দেওয়া কিংবা কাছাকাছি কোথাও ঘুরতে যাওয়া হতে পারে দিনের আয়োজন। চাইলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুজনের ছবি প্রকাশ করে ভালোবাসার কথাও জানানো যায়।

তবে বড় আয়োজন বা দামি উপহারই যে ভালোবাসার একমাত্র প্রকাশ—এমন নয়। একটি আন্তরিক বার্তা, কিছুটা সময় দেওয়া কিংবা সঙ্গীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশও হতে পারে অর্থবহ উদযাপন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি ট্রেন্ড হিসেবে জনপ্রিয়তা পাওয়া বয়ফ্রেন্ড ডে তাই অনেকের কাছে সম্পর্কের মানুষটিকে নতুন করে গুরুত্ব দেওয়ার একটি উপলক্ষ। দিনটি ঘিরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে পারস্পরিক সম্মান, যত্ন ও আন্তরিকতা।

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট লাইফস্টাইল সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ