পটিয়া হাসপাতাল ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল)।
আজ শনিবার তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন।
পরিদর্শনকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি বৃহত্তর এলাকার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। পটিয়ার প্রায় সাত লাখ মানুষের পাশাপাশি বাঁশখালী, চন্দনাইশ, আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলার আশপাশের এলাকার আরও প্রায় চার লাখ মানুষ এখান থেকে চিকিৎসাসেবা নেন। ফলে প্রতিদিনই হাসপাতালে রোগীর ব্যাপক চাপ থাকে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, বহির্বিভাগে প্রতিদিন এক হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসা নেন। এছাড়া প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জনবলসহ বিভিন্ন সংকটের কথা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি জানায়।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বৃহত্তর এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে একটি মডেল হাসপাতালে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে ৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেসব এলাকায় হাসপাতাল নেই, সেসব এলাকাতেও প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন ১০১ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। অগ্রাধিকার ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের চিকিৎসকদের উপস্থিতির বিষয়েও খোঁজ নেন মন্ত্রী। হাসপাতালে শতভাগ চিকিৎসক উপস্থিত রয়েছেন কি না জানতে চাইলে কর্তৃপক্ষ জানায়, শতভাগ না হলেও অধিকাংশ চিকিৎসক উপস্থিত রয়েছেন।
এ ছাড়া হাসপাতালের বায়োমেডিক্যাল ব্যবস্থা, রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহ এবং ভর্তি রোগীদের খাবারের মান সম্পর্কে খোঁজ নেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ভর্তি রোগীদের প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষা হাসপাতাল থেকেই করার ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে রোগীদের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে এবং ভর্তি রোগীদের খাবারের মান উন্নত করতে হবে। রোগীরা যাতে যথাযথ চিকিৎসাসেবা পান, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।
এসময় চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম বলেন, হাসপাতালের উন্নয়নের বিষয়ে আমি বিভিন্ন জায়গায় কথা বলার চেষ্টা করছি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এখানে এসে হাসপাতালকে অত্যন্ত সুসজ্জিত ও আধুনিক করার যে কথা বলেছেন, তাতে আমরা আশাবাদী।
তিনি বলেন, পটিয়া আগে একটি মহকুমা ছিল। এ কারণে এ এলাকার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দৃষ্টি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মানুষের সেবায় হাসপাতালটির উন্নয়নে কাজ হবে এতে আমি আশাবাদী।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী আকস্মিকভাবে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন। তিনি হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখার পাশাপাশি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এ সময় চট্টগ্রামের জেলা সিভিল সার্জন সাজেদুর রহমানসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ শনিবার তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন।
পরিদর্শনকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি বৃহত্তর এলাকার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। পটিয়ার প্রায় সাত লাখ মানুষের পাশাপাশি বাঁশখালী, চন্দনাইশ, আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলার আশপাশের এলাকার আরও প্রায় চার লাখ মানুষ এখান থেকে চিকিৎসাসেবা নেন। ফলে প্রতিদিনই হাসপাতালে রোগীর ব্যাপক চাপ থাকে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, বহির্বিভাগে প্রতিদিন এক হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসা নেন। এছাড়া প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জনবলসহ বিভিন্ন সংকটের কথা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি জানায়।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বৃহত্তর এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে একটি মডেল হাসপাতালে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে ৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেসব এলাকায় হাসপাতাল নেই, সেসব এলাকাতেও প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন ১০১ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। অগ্রাধিকার ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের চিকিৎসকদের উপস্থিতির বিষয়েও খোঁজ নেন মন্ত্রী। হাসপাতালে শতভাগ চিকিৎসক উপস্থিত রয়েছেন কি না জানতে চাইলে কর্তৃপক্ষ জানায়, শতভাগ না হলেও অধিকাংশ চিকিৎসক উপস্থিত রয়েছেন।
এ ছাড়া হাসপাতালের বায়োমেডিক্যাল ব্যবস্থা, রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহ এবং ভর্তি রোগীদের খাবারের মান সম্পর্কে খোঁজ নেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ভর্তি রোগীদের প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষা হাসপাতাল থেকেই করার ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে রোগীদের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে এবং ভর্তি রোগীদের খাবারের মান উন্নত করতে হবে। রোগীরা যাতে যথাযথ চিকিৎসাসেবা পান, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।
এসময় চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম বলেন, হাসপাতালের উন্নয়নের বিষয়ে আমি বিভিন্ন জায়গায় কথা বলার চেষ্টা করছি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এখানে এসে হাসপাতালকে অত্যন্ত সুসজ্জিত ও আধুনিক করার যে কথা বলেছেন, তাতে আমরা আশাবাদী।
তিনি বলেন, পটিয়া আগে একটি মহকুমা ছিল। এ কারণে এ এলাকার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দৃষ্টি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মানুষের সেবায় হাসপাতালটির উন্নয়নে কাজ হবে এতে আমি আশাবাদী।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী আকস্মিকভাবে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন। তিনি হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখার পাশাপাশি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এ সময় চট্টগ্রামের জেলা সিভিল সার্জন সাজেদুর রহমানসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
