নিজেদের শর্তেই বিশ্বমঞ্চে এগোতে চায় বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ এখন এমন একটি অবস্থানে রয়েছে যেখানে আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছি। আমরা অন্য খেলোয়াড়দের খেলার জন্য দাবার বোর্ড হতে চাই না। আমরা আমাদের নিজেদের শর্তে খেলতে চাই।
আজ শনিবার রাজধানীতে পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের ‘নতুন করে লেখা এক বিশ্ব’ শীর্ষক এক সেশনে তিনি এসব কথা বলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ এখন মাথা উঁচু করে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে আলোচনা, সহযোগিতা ও অংশীদারত্বে প্রস্তুত। তবে দেশের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে জনগণের স্বার্থকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
উপসাগরীয় যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সামনে তৈরি হওয়া চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে তিনি বলেন, এমন সংকটে একদিকে অপ্রত্যাশিত জ্বালানি সংকট দেখা দেয়, অন্যদিকে উপসাগরীয় দেশগুলোতে বসবাস ও কর্মরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিকের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নতুন উৎস ও ক্ষেত্র খুঁজছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য, দেশের নিজস্ব গ্যাস ও এলএনজি সম্পদের অনুসন্ধানের পাশাপাশি সৌরবিদ্যুতের দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জ্বালানির ক্ষেত্রে নাগরিকদের আরও স্বনির্ভর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
শামা ওবায়েদ বলেন, ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে আসছে, যা ইতোমধ্যেই আমাদের অর্থনীতির ওপর একটি বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশ সবসময়ই এই বিষয়ে অত্যন্ত সহযোগিতাপূর্ণ এবং সংবেদনশীল। কিন্তু একই সঙ্গে, আমরা আমাদের অংশীদার, বন্ধু, উন্নয়ন সহযোগী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে কথা বলছি, যাতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সম্মানজনক, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল প্রত্যাবাসন সম্ভব করার জন্য কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যায়।
‘নতুন করে গড়ে ওঠা এক বিশ্বে ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও আস্থার পথচলা’ স্লোগানে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এই সম্মেলনের আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ শনিবার রাজধানীতে পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের ‘নতুন করে লেখা এক বিশ্ব’ শীর্ষক এক সেশনে তিনি এসব কথা বলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ এখন মাথা উঁচু করে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে আলোচনা, সহযোগিতা ও অংশীদারত্বে প্রস্তুত। তবে দেশের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে জনগণের স্বার্থকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
উপসাগরীয় যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সামনে তৈরি হওয়া চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে তিনি বলেন, এমন সংকটে একদিকে অপ্রত্যাশিত জ্বালানি সংকট দেখা দেয়, অন্যদিকে উপসাগরীয় দেশগুলোতে বসবাস ও কর্মরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিকের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নতুন উৎস ও ক্ষেত্র খুঁজছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য, দেশের নিজস্ব গ্যাস ও এলএনজি সম্পদের অনুসন্ধানের পাশাপাশি সৌরবিদ্যুতের দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জ্বালানির ক্ষেত্রে নাগরিকদের আরও স্বনির্ভর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
শামা ওবায়েদ বলেন, ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে আসছে, যা ইতোমধ্যেই আমাদের অর্থনীতির ওপর একটি বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশ সবসময়ই এই বিষয়ে অত্যন্ত সহযোগিতাপূর্ণ এবং সংবেদনশীল। কিন্তু একই সঙ্গে, আমরা আমাদের অংশীদার, বন্ধু, উন্নয়ন সহযোগী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে কথা বলছি, যাতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সম্মানজনক, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল প্রত্যাবাসন সম্ভব করার জন্য কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যায়।
‘নতুন করে গড়ে ওঠা এক বিশ্বে ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও আস্থার পথচলা’ স্লোগানে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এই সম্মেলনের আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
