কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালিয়ে আরও ৩৬৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। পঞ্চম দফায় অভিযান চালিয়ে এ পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৩৫ জনকে আটক করা হলো।
আজ শনিবার কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া কর্মকর্তা) লুৎফর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত সারা জেলার বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
পঞ্চম দফার অভিযানে আটক ৩৬৩ জনের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার তথ্য রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। যাচাই-বাছাইয়ে অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান বলেন, উঠতি বয়সী কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এর আগে চার দফার অভিযানে ১ হাজার ৬৭২ জনকে আটক করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পাওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আর যাদের বিরুদ্ধে অপরাধের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি, তাদের মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে শুক্রবারের অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের ‘রতন গ্রুপ’-এর প্রধান মো. রতনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে কুমিল্লা মিশনারী স্কুলের সামনে ‘রতন গ্রুপ’ ও ‘ঈগল গ্রুপের’ মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় শাহাদাত হোসেন নামে একজন নিহত হন।
পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবারের অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের ‘রতন গ্রুপ’-এর প্রধান মো. রতনকে গেপ্তার করা হয়েছে। ২০২২ সালে কুমিল্লা মিশনারী স্কুলের সামনে রতন গ্রুপ ও ঈগল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে শাহাদাত হোসেন নামের একজনের মৃত্যু হয়। রতন গ্রুপের প্রধান মো. রতন ওই হত্যা মামলার প্রধান আসামি। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে অস্ত্রসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ শনিবার কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া কর্মকর্তা) লুৎফর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত সারা জেলার বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
পঞ্চম দফার অভিযানে আটক ৩৬৩ জনের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার তথ্য রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। যাচাই-বাছাইয়ে অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান বলেন, উঠতি বয়সী কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এর আগে চার দফার অভিযানে ১ হাজার ৬৭২ জনকে আটক করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পাওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আর যাদের বিরুদ্ধে অপরাধের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি, তাদের মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে শুক্রবারের অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের ‘রতন গ্রুপ’-এর প্রধান মো. রতনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে কুমিল্লা মিশনারী স্কুলের সামনে ‘রতন গ্রুপ’ ও ‘ঈগল গ্রুপের’ মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় শাহাদাত হোসেন নামে একজন নিহত হন।
পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবারের অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের ‘রতন গ্রুপ’-এর প্রধান মো. রতনকে গেপ্তার করা হয়েছে। ২০২২ সালে কুমিল্লা মিশনারী স্কুলের সামনে রতন গ্রুপ ও ঈগল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে শাহাদাত হোসেন নামের একজনের মৃত্যু হয়। রতন গ্রুপের প্রধান মো. রতন ওই হত্যা মামলার প্রধান আসামি। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে অস্ত্রসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
