রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান, কঠোর নিরাপত্তায় পরিবহন
পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিং এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য আনা পারমাণবিক জ্বালানি ইউরেনিয়ামের নতুন চালান সড়কপথে প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে।
আজ শনিবার কঠোর নিরাপত্তায় দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ইউরেনিয়াম বহনকারী বহরটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রবেশ করে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে বিশেষ রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), পুলিশ এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা এই বহরের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
এর আগে শুক্রবার রাতে রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম বহনকারী বিশেষ কার্গো বিমান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে শনিবার সকালে তিনটি বিশেষ লরির একটি বহর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঢাকার বিমানবন্দর এলাকা থেকে রূপপুরের উদ্দেশে রওনা হয়।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইউরেনিয়ামের চালানটি গত ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা ছিল। তবে ইউরেনিয়াম বহনকারী কার্গো উড়োজাহাজকে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় নির্ধারিত সময়ে চালানটি দেশে আনা সম্ভব হয়নি।
২০২৩ সালে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য জ্বালানি দেশে আনা হয়েছিল। চলতি বছরের মে মাসে সেই জ্বালানি পারমাণবিক চুল্লিতে স্থাপন করা হয়। শিগগিরই সেখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১২শ মেগাওয়াট ধারণ সম্পন্ন ২টি ইউনিটের মাধ্যমে মোট ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ শুরু হয় ২০১৩ সালে। রাশিয়ার সহযোগিতায় এটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকার ওপরে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ শনিবার কঠোর নিরাপত্তায় দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ইউরেনিয়াম বহনকারী বহরটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রবেশ করে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে বিশেষ রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), পুলিশ এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা এই বহরের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
এর আগে শুক্রবার রাতে রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম বহনকারী বিশেষ কার্গো বিমান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে শনিবার সকালে তিনটি বিশেষ লরির একটি বহর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঢাকার বিমানবন্দর এলাকা থেকে রূপপুরের উদ্দেশে রওনা হয়।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইউরেনিয়ামের চালানটি গত ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা ছিল। তবে ইউরেনিয়াম বহনকারী কার্গো উড়োজাহাজকে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় নির্ধারিত সময়ে চালানটি দেশে আনা সম্ভব হয়নি।
২০২৩ সালে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য জ্বালানি দেশে আনা হয়েছিল। চলতি বছরের মে মাসে সেই জ্বালানি পারমাণবিক চুল্লিতে স্থাপন করা হয়। শিগগিরই সেখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১২শ মেগাওয়াট ধারণ সম্পন্ন ২টি ইউনিটের মাধ্যমে মোট ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ শুরু হয় ২০১৩ সালে। রাশিয়ার সহযোগিতায় এটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকার ওপরে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
