সৃজিত-সুস্মিতার ফের মুখোমুখি, সংক্ষিপ্ত কথোপকথনে ধরা পড়ল দূরত্ব
প্রেমের গুঞ্জন থেকে শুরু করে সম্পর্কের স্বীকারোক্তি, এরপর বিচ্ছেদ সৃজিত মুখার্জি ও সুস্মিতা দে-কে ঘিরে টলিপাড়ায় একসময় কম আলোচনা হয়নি। এবার সেই সম্পর্কের অধ্যায় পেরিয়ে হইচইয়ের এক অনুষ্ঠানে হঠাৎ মুখোমুখি হলেন দুজন। সেখানে তাদের কথাবার্তা থেকে শুরু করে চোখেমুখের অভিব্যক্তি—সবকিছুতেই যেন ধরা পড়ল পুরোনো স্বাচ্ছন্দ্যের অনুপস্থিতি।
একসময় টলিপাড়ায় কান পাতলেই শোনা যেত, পরিচালক সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন সদ্য টলিউডে পা রাখা অভিনেত্রী সুস্মিতা দে। বিশেষ করে ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’ সিনেমার প্রচারণার সময় বিভিন্ন পার্টি ও আয়োজনে দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ায় সেই গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। তবে সেই সময়ের গুঞ্জন পরবর্তী সময়ে আর গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি।
সৃজিতও একপর্যায়ে সুস্মিতার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছিলেন। এরপর অবশ্য বদলে যায় তাদের সমীকরণ। সম্পর্কে ভাঙন ধরে দুজনের যোগাযোগেও আসে দূরত্ব। সম্প্রতি হইচইয়ের একটি অনুষ্ঠানে ফের মুখোমুখি হন সৃজিত ও সুস্মিতা। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, অনুষ্ঠানে অভিনেত্রীর সামনে এগিয়ে আসেন পরিচালক। এরপর তার সঙ্গে হাত মেলান সৃজিত। জানতে চান, ‘তুমি কেমন আছো’।
জবাবে সুস্মিতাও সৃজিতের খোঁজ নেন। পরিচালক বলেন, ‘আমি ভালো আছি।’ পরে পাপারাজ্জিদের অনুরোধে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছবিও তোলেন দুজন। তবে পুরো সময়টুকুতে কথাবার্তা ছিল বেশ সংক্ষিপ্ত। আগের পরিচিত স্বাচ্ছন্দ্যের বদলে তাদের আচরণে কিছুটা দূরত্বের ছাপ দেখা যায় বলেই মনে হয়েছে অনেকের।
একসময় ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’ সিনেমার প্রচারণাকে কেন্দ্র করে সৃজিত ও সুস্মিতাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও আয়োজনে একসঙ্গে দেখা যেত। সেখান থেকেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে শুরু হয় গুঞ্জন। পরবর্তী সময়ে সৃজিত নিজেও সুস্মিতার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছিলেন।
তবে সেই সম্পর্ক বেশি দূর এগোয়নি। সময়ের সঙ্গে দুজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সুস্মিতা জানিয়েছিলেন, সিনেমার প্রচারণার সময় বিভিন্ন জায়গায় একসঙ্গে যাওয়ার কারণেই মূলত গুঞ্জন তৈরি হয়েছিল। পরে সৃজিতের সঙ্গে তার আর কোনো যোগাযোগ নেই বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।
সুস্মিতার ভাষায়, সৃজিত একজন ‘ভীষণ ভালো পরিচালক’ ও ‘খুব গুণী মানুষ’। অর্থাৎ ব্যক্তিগত সম্পর্কের অধ্যায় শেষ হলেও পরিচালকের পেশাগত দক্ষতার প্রতি তার শ্রদ্ধা রয়েছে—সাক্ষাৎকারের বক্তব্যে এমনটাই উঠে এসেছিল।
এদিকে সৃজিতের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। টলিপাড়ার একাধিক অভিনেত্রীর সঙ্গে তার নাম জড়ানোর খবর প্রকাশ পেয়েছে। তাদের মধ্যে ঋতাভরী চক্রবর্তী, স্বস্তিকা মুখার্জি ও আলেকজান্দ্রার নামও এসেছে বিভিন্ন সময়ে।
টলিপাড়ায় বিভিন্ন সময়ে একাধিক অভিনেত্রীর সঙ্গে সৃজিতের নাম জড়ানোর খবরও সামনে এসেছে। তাদের মধ্যে ছিলেন ঋতাভরী, স্বস্তিকা এবং বিদেশিনী আলেকজান্দ্রা।অন্যদিকে অভিনেত্রী ও সমাজকর্মী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার সঙ্গে ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন সৃজিত। দক্ষিণ কলকাতার ফ্ল্যাটে ঘরোয়া আয়োজনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। এরপর কলকাতায় গিয়ে থাকতে শুরু করেন মিথিলা। মেয়েকেও কলকাতার একটি স্কুলে ভর্তি করান তিনি।
পরবর্তী সময়ে সৃজিত-মিথিলার সম্পর্কে দূরত্ব তৈরির খবর সামনে আসে। আগের মতো কলকাতায় দেখা যায় না মিথিলাকে। মেয়েকেও কলকাতার স্কুল থেকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশে নিয়ে গেছেন তিনি। যদিও অভিনেত্রীর দাবি, ভিসা সমস্যার কারণে কলকাতায় কম যাওয়া হয়। সৃজিতের সঙ্গে বর্তমানে সম্পর্ক কেমন এমন প্রশ্নের জবাবে মিথিলা সংক্ষেপে জানিয়েছিলেন, আইনত তারা এখনো স্বামী-স্ত্রী।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
একসময় টলিপাড়ায় কান পাতলেই শোনা যেত, পরিচালক সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন সদ্য টলিউডে পা রাখা অভিনেত্রী সুস্মিতা দে। বিশেষ করে ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’ সিনেমার প্রচারণার সময় বিভিন্ন পার্টি ও আয়োজনে দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ায় সেই গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। তবে সেই সময়ের গুঞ্জন পরবর্তী সময়ে আর গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি।
সৃজিতও একপর্যায়ে সুস্মিতার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছিলেন। এরপর অবশ্য বদলে যায় তাদের সমীকরণ। সম্পর্কে ভাঙন ধরে দুজনের যোগাযোগেও আসে দূরত্ব। সম্প্রতি হইচইয়ের একটি অনুষ্ঠানে ফের মুখোমুখি হন সৃজিত ও সুস্মিতা। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, অনুষ্ঠানে অভিনেত্রীর সামনে এগিয়ে আসেন পরিচালক। এরপর তার সঙ্গে হাত মেলান সৃজিত। জানতে চান, ‘তুমি কেমন আছো’।
জবাবে সুস্মিতাও সৃজিতের খোঁজ নেন। পরিচালক বলেন, ‘আমি ভালো আছি।’ পরে পাপারাজ্জিদের অনুরোধে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছবিও তোলেন দুজন। তবে পুরো সময়টুকুতে কথাবার্তা ছিল বেশ সংক্ষিপ্ত। আগের পরিচিত স্বাচ্ছন্দ্যের বদলে তাদের আচরণে কিছুটা দূরত্বের ছাপ দেখা যায় বলেই মনে হয়েছে অনেকের।
একসময় ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’ সিনেমার প্রচারণাকে কেন্দ্র করে সৃজিত ও সুস্মিতাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও আয়োজনে একসঙ্গে দেখা যেত। সেখান থেকেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে শুরু হয় গুঞ্জন। পরবর্তী সময়ে সৃজিত নিজেও সুস্মিতার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছিলেন।
তবে সেই সম্পর্ক বেশি দূর এগোয়নি। সময়ের সঙ্গে দুজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সুস্মিতা জানিয়েছিলেন, সিনেমার প্রচারণার সময় বিভিন্ন জায়গায় একসঙ্গে যাওয়ার কারণেই মূলত গুঞ্জন তৈরি হয়েছিল। পরে সৃজিতের সঙ্গে তার আর কোনো যোগাযোগ নেই বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।
সুস্মিতার ভাষায়, সৃজিত একজন ‘ভীষণ ভালো পরিচালক’ ও ‘খুব গুণী মানুষ’। অর্থাৎ ব্যক্তিগত সম্পর্কের অধ্যায় শেষ হলেও পরিচালকের পেশাগত দক্ষতার প্রতি তার শ্রদ্ধা রয়েছে—সাক্ষাৎকারের বক্তব্যে এমনটাই উঠে এসেছিল।
এদিকে সৃজিতের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। টলিপাড়ার একাধিক অভিনেত্রীর সঙ্গে তার নাম জড়ানোর খবর প্রকাশ পেয়েছে। তাদের মধ্যে ঋতাভরী চক্রবর্তী, স্বস্তিকা মুখার্জি ও আলেকজান্দ্রার নামও এসেছে বিভিন্ন সময়ে।
টলিপাড়ায় বিভিন্ন সময়ে একাধিক অভিনেত্রীর সঙ্গে সৃজিতের নাম জড়ানোর খবরও সামনে এসেছে। তাদের মধ্যে ছিলেন ঋতাভরী, স্বস্তিকা এবং বিদেশিনী আলেকজান্দ্রা।অন্যদিকে অভিনেত্রী ও সমাজকর্মী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার সঙ্গে ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন সৃজিত। দক্ষিণ কলকাতার ফ্ল্যাটে ঘরোয়া আয়োজনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। এরপর কলকাতায় গিয়ে থাকতে শুরু করেন মিথিলা। মেয়েকেও কলকাতার একটি স্কুলে ভর্তি করান তিনি।
পরবর্তী সময়ে সৃজিত-মিথিলার সম্পর্কে দূরত্ব তৈরির খবর সামনে আসে। আগের মতো কলকাতায় দেখা যায় না মিথিলাকে। মেয়েকেও কলকাতার স্কুল থেকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশে নিয়ে গেছেন তিনি। যদিও অভিনেত্রীর দাবি, ভিসা সমস্যার কারণে কলকাতায় কম যাওয়া হয়। সৃজিতের সঙ্গে বর্তমানে সম্পর্ক কেমন এমন প্রশ্নের জবাবে মিথিলা সংক্ষেপে জানিয়েছিলেন, আইনত তারা এখনো স্বামী-স্ত্রী।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
