ইউপি নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুতি পর্যালোচনা, প্রয়োজন হলে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত
আগামী জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সম্পন্ন করার বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে নির্বাচনী প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি জানান, এসএসসি পরীক্ষা, রমজান এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় দিবসের মতো স্থানীয় সামাজিক বাস্তবতাগুলোকে সার্বিক বিবেচনায় নিয়ে একটি সুসংহত ও বাস্তবসম্মত সমাধানে আসবে নির্বাচন কমিশন।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইউএনডিপি’র সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সচিব।
সিনিয়র সচিব জানান, গত ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে নির্বাচন আয়োজনের সময়সূচিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তাব এসেছে। তবে নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে কমিশন এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।
তিনি বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির সুষ্ঠু ও সফল নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশার একটি উচ্চ মানদণ্ড তৈরি হয়েছে। সেই মানদণ্ড ধরে রেখে আরও উন্নত পরিবেশে নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যেই কমিশন কাজ করছে।
আখতার আহমেদ আরও বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র এবং প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ের সামগ্রিক পরিবেশ ও পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিকে ইউএনডিপির ‘ব্যালট’ প্রকল্পের আওতায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, পুলিশ বাহিনী ও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির প্রস্তাব নিয়েও বৈঠকে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।
এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য হবে অপতথ্য, ভুল তথ্য বা ডিসইনফরমেশন এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বা হেইট স্পিচ মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সক্ষমতা বাড়ানো। ইসি সচিব জানান, কর্মসূচিটি কোনো নির্দিষ্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নয়; বরং দীর্ঘমেয়াদি ও ধারাবাহিক সক্ষমতা উন্নয়নের অংশ হিসেবে এটি বিবেচনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ কর্মসূচির প্রস্তাবটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু ও অংশগ্রহণকারীদের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
তিনি জানান, এসএসসি পরীক্ষা, রমজান এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় দিবসের মতো স্থানীয় সামাজিক বাস্তবতাগুলোকে সার্বিক বিবেচনায় নিয়ে একটি সুসংহত ও বাস্তবসম্মত সমাধানে আসবে নির্বাচন কমিশন।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইউএনডিপি’র সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সচিব।
সিনিয়র সচিব জানান, গত ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে নির্বাচন আয়োজনের সময়সূচিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তাব এসেছে। তবে নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে কমিশন এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।
তিনি বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির সুষ্ঠু ও সফল নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশার একটি উচ্চ মানদণ্ড তৈরি হয়েছে। সেই মানদণ্ড ধরে রেখে আরও উন্নত পরিবেশে নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যেই কমিশন কাজ করছে।
আখতার আহমেদ আরও বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র এবং প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ের সামগ্রিক পরিবেশ ও পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিকে ইউএনডিপির ‘ব্যালট’ প্রকল্পের আওতায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, পুলিশ বাহিনী ও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির প্রস্তাব নিয়েও বৈঠকে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।
এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য হবে অপতথ্য, ভুল তথ্য বা ডিসইনফরমেশন এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বা হেইট স্পিচ মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সক্ষমতা বাড়ানো। ইসি সচিব জানান, কর্মসূচিটি কোনো নির্দিষ্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নয়; বরং দীর্ঘমেয়াদি ও ধারাবাহিক সক্ষমতা উন্নয়নের অংশ হিসেবে এটি বিবেচনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ কর্মসূচির প্রস্তাবটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু ও অংশগ্রহণকারীদের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
