নতুন চরিত্রের খোঁজে প্রসেনজিৎ, এখনও অপূর্ণ ‘গডফাদার’-এর স্বপ্ন
পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র অঙ্গনে দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে নিজের শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। একসময় বাণিজ্যিক সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক হিসেবে দর্শকের মন জয় করা এই অভিনেতা পরবর্তী সময়ে নিজেকে ভেঙে নানা ধরনের চরিত্রে হাজির করেছেন। অভিনয়ের সেই বৈচিত্র্যের ধারাবাহিকতায় এবারও নতুন চ্যালেঞ্জের অপেক্ষায় তিনি।
আজ ৩০ সেপ্টেম্বর প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন। ৬৪ বছরে পা রাখা অভিনেতাকে এদিন শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন ভক্ত, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
জন্মদিন উপলক্ষে আনন্দবাজারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয়জীবন ও নতুন চরিত্রের সন্ধান নিয়ে কথা বলেছেন প্রসেনজিৎ। তিনি জানান, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এত বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করেছেন যে এখন নতুন কিছু খুঁজে পাওয়া তার জন্য আগের চেয়ে কঠিন হয়ে উঠেছে।
প্রসেনজিতের কথায়, এত চরিত্র করার পর এখন নতুন চরিত্র বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাকে অনেক বেশি ভাবতে হয়। তার কাছে আসা অনেক চরিত্রই এরই মধ্যে কোনো না কোনোভাবে পর্দায় করে ফেলেছেন বলে মনে করেন তিনি। তাই নতুন চরিত্রের সন্ধানে তাকে বাড়তি সময় ও শ্রম দিতে হচ্ছে।
প্রসেনজিৎ বলেন, ‘এত চরিত্র করে ফেলেছি। এখন ভাবতে হয়, নতুন আর কী করব! চরিত্র বাছতে খুব কঠিন লড়াই করতে হচ্ছে। সহজে আর এ রকম চরিত্র আসছে না, যা আগে করিনি। ভাঙাচোরারও তো একটা সীমা আছে। আর আলাদা কী করব, বুঝে উঠতে পারছি না।’
এই না-পাওয়ার সঙ্গে ক্ষুধাটাও এখনো রয়েছে প্রসেনজিতের। যেমন এ বছরের মধ্যেই দুটি ভিন্ন ছবিতে রকস্টার ও ডাক্তার চরিত্রে হাজির তিনি। চেষ্টা কি কম করছেন। প্রসেনজিৎ জানান, এখন যেসব চরিত্র তার কাছে আসে, সেরকম চরিত্র গত কয়েক বছরে করে ফেলেছেন তিনি। ফলে ছবি বেছে নিতে ঝক্কি পোহাতে হয় অভিনেতাকে।
তবু এ সময়ে এসে কিছুই কি নেই বাকি? কী ধরনের চরিত্র করার ইচ্ছে এখনো পুষে রেখেছেন বুম্বা? জবাব দেন এভাবে, ‘‘গডফাদার’-এ মার্লন ব্র্যান্ডোর চরিত্রটার মতো কিছু করার ইচ্ছা নিশ্চয়ই আছে!’’
প্রসঙ্গত, প্রসেনজিতের জন্ম ১৯৬২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, খ্যাতিমান অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও অভিনেত্রী পল্লবী চট্টোপাধ্যায়ের ঘরে। শিশুশিল্পী হিসেবে প্রথম পর্দায় আগমন। আর নায়ক হিসেবে অভিষেক ঘটে ‘দুটি পাতা’ (১৯৮৩) দিয়ে। আর ১৯৮৭ সালের ‘অমর সঙ্গী’ দিয়ে তিনি তারকাখ্যাতি পান। সেই দাপট এখনো অব্যাহত রেখেছেন অভিনেতা।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ ৩০ সেপ্টেম্বর প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন। ৬৪ বছরে পা রাখা অভিনেতাকে এদিন শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন ভক্ত, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
জন্মদিন উপলক্ষে আনন্দবাজারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয়জীবন ও নতুন চরিত্রের সন্ধান নিয়ে কথা বলেছেন প্রসেনজিৎ। তিনি জানান, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এত বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করেছেন যে এখন নতুন কিছু খুঁজে পাওয়া তার জন্য আগের চেয়ে কঠিন হয়ে উঠেছে।
প্রসেনজিতের কথায়, এত চরিত্র করার পর এখন নতুন চরিত্র বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাকে অনেক বেশি ভাবতে হয়। তার কাছে আসা অনেক চরিত্রই এরই মধ্যে কোনো না কোনোভাবে পর্দায় করে ফেলেছেন বলে মনে করেন তিনি। তাই নতুন চরিত্রের সন্ধানে তাকে বাড়তি সময় ও শ্রম দিতে হচ্ছে।
প্রসেনজিৎ বলেন, ‘এত চরিত্র করে ফেলেছি। এখন ভাবতে হয়, নতুন আর কী করব! চরিত্র বাছতে খুব কঠিন লড়াই করতে হচ্ছে। সহজে আর এ রকম চরিত্র আসছে না, যা আগে করিনি। ভাঙাচোরারও তো একটা সীমা আছে। আর আলাদা কী করব, বুঝে উঠতে পারছি না।’
এই না-পাওয়ার সঙ্গে ক্ষুধাটাও এখনো রয়েছে প্রসেনজিতের। যেমন এ বছরের মধ্যেই দুটি ভিন্ন ছবিতে রকস্টার ও ডাক্তার চরিত্রে হাজির তিনি। চেষ্টা কি কম করছেন। প্রসেনজিৎ জানান, এখন যেসব চরিত্র তার কাছে আসে, সেরকম চরিত্র গত কয়েক বছরে করে ফেলেছেন তিনি। ফলে ছবি বেছে নিতে ঝক্কি পোহাতে হয় অভিনেতাকে।
তবু এ সময়ে এসে কিছুই কি নেই বাকি? কী ধরনের চরিত্র করার ইচ্ছে এখনো পুষে রেখেছেন বুম্বা? জবাব দেন এভাবে, ‘‘গডফাদার’-এ মার্লন ব্র্যান্ডোর চরিত্রটার মতো কিছু করার ইচ্ছা নিশ্চয়ই আছে!’’
প্রসঙ্গত, প্রসেনজিতের জন্ম ১৯৬২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, খ্যাতিমান অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও অভিনেত্রী পল্লবী চট্টোপাধ্যায়ের ঘরে। শিশুশিল্পী হিসেবে প্রথম পর্দায় আগমন। আর নায়ক হিসেবে অভিষেক ঘটে ‘দুটি পাতা’ (১৯৮৩) দিয়ে। আর ১৯৮৭ সালের ‘অমর সঙ্গী’ দিয়ে তিনি তারকাখ্যাতি পান। সেই দাপট এখনো অব্যাহত রেখেছেন অভিনেতা।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
