গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে তিন বছর বয়সী দুই কন্যা শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশু দুটি একে-অপরের মামাতো-ফুফাতো বোন। সমবয়সী এই দুই শিশুর মৃত্যুতে শোকের মাতম চলছে পরিবারে।
আজ বুধবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেক হক। এর আগে বেলা ১১টার দিকে উপজেলার শাখাহার ইউনিয়নের দশলাল গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই শিশু হলো দশলাল গ্রামের ফরহাদ আলীর মেয়ে মিম আক্তার (৩) এবং তার ফুফাতো বোন আফরিন আক্তার (৩)। শিশু আফরিন টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা থেকে দশলালে তার মামার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে মিম ও আফরিন বাড়ির উঠানে পুকুরপাড়ে একসঙ্গে খেলছিল। একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যদের অজান্তে তারা বাড়ির পাশের পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। কিছুক্ষণ পর শিশু দুটিকে দেখতে না পেয়ে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরে স্থানীয়রা পুকুরের পানিতে দুই শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে তাদের উদ্ধার করেন। তবে ততক্ষণে দুজনেরই মৃত্যু হয়।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেক হক বলেন, দুই শিশুর পুকুরে ডুবে মৃত্যুর খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বৈরাগীরহাট তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ বুধবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেক হক। এর আগে বেলা ১১টার দিকে উপজেলার শাখাহার ইউনিয়নের দশলাল গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই শিশু হলো দশলাল গ্রামের ফরহাদ আলীর মেয়ে মিম আক্তার (৩) এবং তার ফুফাতো বোন আফরিন আক্তার (৩)। শিশু আফরিন টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা থেকে দশলালে তার মামার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে মিম ও আফরিন বাড়ির উঠানে পুকুরপাড়ে একসঙ্গে খেলছিল। একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যদের অজান্তে তারা বাড়ির পাশের পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। কিছুক্ষণ পর শিশু দুটিকে দেখতে না পেয়ে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরে স্থানীয়রা পুকুরের পানিতে দুই শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে তাদের উদ্ধার করেন। তবে ততক্ষণে দুজনেরই মৃত্যু হয়।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেক হক বলেন, দুই শিশুর পুকুরে ডুবে মৃত্যুর খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বৈরাগীরহাট তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
