মেঘনায় ট্রলারডুবি: নিখোঁজ ৪ জনের সন্ধান এখনো মেলেনি
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় একই পরিবারের নিখোঁজ চারজনের এখনো কোনো সন্ধান মেলেনি। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বৈদ্যের বাজারের সোনাময়ী এলাকায় ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে গেলে রাশিদা নামে এক নারীর মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএ যৌথভাবে আবারও উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। এ সময় ডুবে যাওয়া ট্রলারটির অবস্থান শনাক্ত করা হলেও এর ভেতরে কোনো মরদেহ পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, কুমিল্লা জেলার শ্রীমন্দী গ্রাম থেকে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ১৩ জন যাত্রী ট্রলারযোগে সোনারগাঁয়ের বৈদ্যের বাজারে যাচ্ছিলেন। পথে মেঘনা নদীর মাঝখানে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি উল্টে যায়।
দুর্ঘটনার সময় আটজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। স্থানীয়রা রাশিদাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন হেলাল, তাঁর ছেলে সজিব এবং দুই মেয়ে সামিয়া ও সামিন।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, ‘ঘটনার পর থেকেই উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিখোঁজ চারজনের এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএ সমন্বিতভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে।’
এটিএন নিউজ/মা.ই.স
ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএ যৌথভাবে আবারও উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। এ সময় ডুবে যাওয়া ট্রলারটির অবস্থান শনাক্ত করা হলেও এর ভেতরে কোনো মরদেহ পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, কুমিল্লা জেলার শ্রীমন্দী গ্রাম থেকে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ১৩ জন যাত্রী ট্রলারযোগে সোনারগাঁয়ের বৈদ্যের বাজারে যাচ্ছিলেন। পথে মেঘনা নদীর মাঝখানে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি উল্টে যায়।
দুর্ঘটনার সময় আটজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। স্থানীয়রা রাশিদাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন হেলাল, তাঁর ছেলে সজিব এবং দুই মেয়ে সামিয়া ও সামিন।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, ‘ঘটনার পর থেকেই উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিখোঁজ চারজনের এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএ সমন্বিতভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে।’
এটিএন নিউজ/মা.ই.স
