ATN
শিরোনাম
  •  

পাকিস্তান সফর প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের যা বললেন তারেক রহমান

         
পাকিস্তান সফর প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের যা বললেন তারেক রহমান

জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে তারেক-শাহবাজ বৈঠক, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে অঙ্গীকার

নিউইয়র্কে চলমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পৃথক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বৈঠকে দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পর্যালোচনা করেন এবং বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

বৈঠক শেষে অল্প সময়ের জন্য সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বর্তমান সভাপতি ড. খলিলুর রহমান। সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এশিয়া ওয়ানের খবরে বলা হয়, সাংবাদিকরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে জানতে চান, তিনি কবে পাকিস্তান সফরে যাবেন।

জবাবে সংক্ষিপ্তভাবে তিনি বলেন, ‘আমরা একটি দিনক্ষণ ঠিক করব। আমরা সময়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’

এদিকে, বৈঠক শেষে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। নিউইয়র্ক সময় বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই তিনি এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শাহবাজ শরিফ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের জন্য বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান এবং বিশ্ব সংস্থার লক্ষ্য বাস্তবায়নে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রতি পাকিস্তানের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি, তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে পারস্পরিকভাবে লাভজনক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারে পাকিস্তানের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথাও তুলে ধরেন।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানও একই মনোভাব ব্যক্ত করেন এবং দুই দেশের সম্পর্কের ইতিবাচক গতিপথে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তার সরকার বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে আগ্রহী।

বৈঠকে দুই নেতা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ, শিক্ষা, পর্যটন এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

এ ছাড়া তারা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন এবং বিশেষ করে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন বহুপক্ষীয় ফোরামে পারস্পরিক সমন্বয় অব্যাহত রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

অন্যদিকে, বার্তা সংস্থা বাসস জানায়, দুই প্রধানমন্ত্রী পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন। তারা পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া ও সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এটিএন নিউজ/মা.ই.স
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট জাতীয় সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ