৫১তম বিশেষ বিসিএসে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ, আবেদন শুরু ১ অক্টোবর
৫১তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা-২০২৬ এর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এ পরীক্ষার মাধ্যমে বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে চার হাজার ৭০০ জন সহকারী সার্জন এবং ৩০০ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জন নিয়োগের কথা রয়েছে।
আগামী ১ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পিএসসি এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।
নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের পথে থাকা প্রার্থীরাও আবেদন করার সুযোগ পাবেন। তবে তাদের সব লিখিত পরীক্ষা ২৫ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে শেষ হতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার সময় দেশি বা বিদেশি ডিগ্রির সমমানের সনদ এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) রেজিস্ট্রেশনসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থীদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে আবেদন করতে হবে।
টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইট অথবা পিএসসির ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। সাধারণ প্রার্থীদের আবেদন ফি ২০০ টাকা। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য ফি ৫০ টাকা।
এর সঙ্গে টেলিটকের ভ্যাট ও ডেটা ভেরিফিকেশন চার্জ বাবদ অতিরিক্ত ৫ টাকা দিতে হবে। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে আবেদন করে ইউজার আইডি পাওয়া প্রার্থীরা পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফি জমা দিতে পারবেন।
এবারের বিশেষ বিসিএসে মোট ৩০০ নম্বরের পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই করা হবে। এর মধ্যে ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা এবং ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা থাকবে।
লিখিত পরীক্ষা হবে এমসিকিউ পদ্ধতিতে। বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে ২০ নম্বর করে মোট ৮০ নম্বর থাকবে। মানসিক দক্ষতা ও গাণিতিক যুক্তিতে থাকবে ১০ নম্বর করে। সংশ্লিষ্ট ক্যাডার বা পদের প্রাসঙ্গিক বিষয়ে থাকবে ১০০ নম্বর।
প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ৫০ নম্বর কাটা হবে।
পিএসসি জানিয়েছে, আগামী নভেম্বরের মধ্যেই লিখিত পরীক্ষা আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে। পরীক্ষা মূলত ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার শৃঙ্খলা ও প্রার্থিতার বিষয়ে কঠোর সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের তদবির করলে তা প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য হতে পারে।
এ ছাড়া মিথ্যা তথ্য দেওয়া, সনদ জাল করা, পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন বা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারসহ অসদুপায় অবলম্বন করলে প্রার্থিতা বাতিল করা হতে পারে। এসব অনিয়মের ক্ষেত্রে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভবিষ্যতে সরকারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য অযোগ্য ঘোষণার মতো ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পিএসসি।
তবে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন পদ সৃষ্টি, পদ বিলুপ্তি, পদোন্নতি ও অন্যান্য প্রশাসনিক কারণে শূন্য পদের সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আগামী ১ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পিএসসি এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।
নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের পথে থাকা প্রার্থীরাও আবেদন করার সুযোগ পাবেন। তবে তাদের সব লিখিত পরীক্ষা ২৫ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে শেষ হতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার সময় দেশি বা বিদেশি ডিগ্রির সমমানের সনদ এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) রেজিস্ট্রেশনসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থীদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে আবেদন করতে হবে।
টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইট অথবা পিএসসির ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। সাধারণ প্রার্থীদের আবেদন ফি ২০০ টাকা। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য ফি ৫০ টাকা।
এর সঙ্গে টেলিটকের ভ্যাট ও ডেটা ভেরিফিকেশন চার্জ বাবদ অতিরিক্ত ৫ টাকা দিতে হবে। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে আবেদন করে ইউজার আইডি পাওয়া প্রার্থীরা পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফি জমা দিতে পারবেন।
এবারের বিশেষ বিসিএসে মোট ৩০০ নম্বরের পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই করা হবে। এর মধ্যে ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা এবং ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা থাকবে।
লিখিত পরীক্ষা হবে এমসিকিউ পদ্ধতিতে। বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে ২০ নম্বর করে মোট ৮০ নম্বর থাকবে। মানসিক দক্ষতা ও গাণিতিক যুক্তিতে থাকবে ১০ নম্বর করে। সংশ্লিষ্ট ক্যাডার বা পদের প্রাসঙ্গিক বিষয়ে থাকবে ১০০ নম্বর।
প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ৫০ নম্বর কাটা হবে।
পিএসসি জানিয়েছে, আগামী নভেম্বরের মধ্যেই লিখিত পরীক্ষা আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে। পরীক্ষা মূলত ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার শৃঙ্খলা ও প্রার্থিতার বিষয়ে কঠোর সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের তদবির করলে তা প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য হতে পারে।
এ ছাড়া মিথ্যা তথ্য দেওয়া, সনদ জাল করা, পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন বা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারসহ অসদুপায় অবলম্বন করলে প্রার্থিতা বাতিল করা হতে পারে। এসব অনিয়মের ক্ষেত্রে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভবিষ্যতে সরকারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য অযোগ্য ঘোষণার মতো ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পিএসসি।
তবে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন পদ সৃষ্টি, পদ বিলুপ্তি, পদোন্নতি ও অন্যান্য প্রশাসনিক কারণে শূন্য পদের সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
