আফতাবনগর ও বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দুই এলাকার সংযোগকারী ফুটওভার ব্রিজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। নতুন এই সংযোগের ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াতের সময় কমার পাশাপাশি নগরবাসীর ভোগান্তিও কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, আফতাবনগর ও বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এ ধরনের একটি সংযোগ স্থাপন করা। ফুটওভার ব্রিজটি চালু হওয়ায় এখন থেকে নাগরিকদের যাতায়াতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় সাশ্রয় হবে।
তিনি বলেন, ‘এই ব্রিজের মাধ্যমে নগরবাসীর মূল্যবান সময় বাঁচবে। দীর্ঘদিনের যে দাবি ছিল, সেটি বাস্তবায়ন হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে সুবিধা তৈরি হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কেবল এই ফুটওভার ব্রিজটিই নয়, এর পাশাপাশি আরো দুটি স্টিল ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে, যা দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে। আগামীতে এমআরটির কাজ শুরু হলে প্রধান সড়কগুলোতে চাপ কমাতে এই ব্রিজগুলো বাইপাস রুট হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং যানজট নিরসন করবে।’
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আফতাবনগর ও বনশ্রীর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন যাতায়াতের ক্ষেত্রে নতুন এই ফুটওভার ব্রিজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে নির্মাণাধীন স্টিল ব্রিজগুলো চালু হলে এ অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় আরও গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, আফতাবনগর ও বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এ ধরনের একটি সংযোগ স্থাপন করা। ফুটওভার ব্রিজটি চালু হওয়ায় এখন থেকে নাগরিকদের যাতায়াতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় সাশ্রয় হবে।
তিনি বলেন, ‘এই ব্রিজের মাধ্যমে নগরবাসীর মূল্যবান সময় বাঁচবে। দীর্ঘদিনের যে দাবি ছিল, সেটি বাস্তবায়ন হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে সুবিধা তৈরি হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কেবল এই ফুটওভার ব্রিজটিই নয়, এর পাশাপাশি আরো দুটি স্টিল ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে, যা দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে। আগামীতে এমআরটির কাজ শুরু হলে প্রধান সড়কগুলোতে চাপ কমাতে এই ব্রিজগুলো বাইপাস রুট হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং যানজট নিরসন করবে।’
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আফতাবনগর ও বনশ্রীর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন যাতায়াতের ক্ষেত্রে নতুন এই ফুটওভার ব্রিজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে নির্মাণাধীন স্টিল ব্রিজগুলো চালু হলে এ অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় আরও গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
