কাপ্তান বাজারে সমন্বিত অভিযান: জেলিযুক্ত চিংড়ি ও পচা সবজি ধ্বংস
রাজধানীর গুলিস্তানের কাপ্তান বাজারে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় ৩০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি ও ১০ কেজি নষ্ট সবজি জব্দ করে তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ঢাকা, জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় এবং বিএফএসএর ঢাকা মেট্রোপলিটন কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অভিযান চলাকালে বাজারের মাছ, মাংস, মুরগি, শাকসবজি ও মুদি দোকানে বিভিন্ন অনিয়ম ও ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়। এর মধ্যে প্রায় ৩০ কেজি চিংড়িতে জেলি পাওয়া গেলে সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করা হয়। এছাড়া প্রায় ১০ কেজি নষ্ট শসা ও পটলও জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
অভিযানে মিস্টার নুডলস, বারবিকিউ সস ও বানানা এসেন্সসহ কয়েকটি খাদ্যপণ্যে আমদানিকারকের সিল না থাকার বিষয়টি ধরা পড়ে। এসব পণ্য জব্দ করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট বিক্রয়কর্মীদের সতর্ক করা হয়।
এছাড়া বাজারের অধিকাংশ দোকানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা এবং মাছ ও মাংস বিক্রির স্থানে লাল বাতি ব্যবহারের বিষয়টিও অভিযানে উঠে আসে।
এসব ত্রুটি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সংশোধনের জন্য বাজার মালিক সমিতিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটিগুলো সংশোধন করা না হলে পরবর্তী অভিযানে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়।
অভিযানে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক বি. এম. রুহুল আমিন রিমন নেতৃত্ব দেন। এছাড়া বিএফএসএর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অনুপম দাস অনুপসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা বাজারের ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষণ, বিক্রয় ও ভোক্তা অধিকারসংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ঢাকা, জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় এবং বিএফএসএর ঢাকা মেট্রোপলিটন কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অভিযান চলাকালে বাজারের মাছ, মাংস, মুরগি, শাকসবজি ও মুদি দোকানে বিভিন্ন অনিয়ম ও ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়। এর মধ্যে প্রায় ৩০ কেজি চিংড়িতে জেলি পাওয়া গেলে সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করা হয়। এছাড়া প্রায় ১০ কেজি নষ্ট শসা ও পটলও জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
অভিযানে মিস্টার নুডলস, বারবিকিউ সস ও বানানা এসেন্সসহ কয়েকটি খাদ্যপণ্যে আমদানিকারকের সিল না থাকার বিষয়টি ধরা পড়ে। এসব পণ্য জব্দ করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট বিক্রয়কর্মীদের সতর্ক করা হয়।
এছাড়া বাজারের অধিকাংশ দোকানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা এবং মাছ ও মাংস বিক্রির স্থানে লাল বাতি ব্যবহারের বিষয়টিও অভিযানে উঠে আসে।
এসব ত্রুটি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সংশোধনের জন্য বাজার মালিক সমিতিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটিগুলো সংশোধন করা না হলে পরবর্তী অভিযানে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়।
অভিযানে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক বি. এম. রুহুল আমিন রিমন নেতৃত্ব দেন। এছাড়া বিএফএসএর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অনুপম দাস অনুপসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা বাজারের ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষণ, বিক্রয় ও ভোক্তা অধিকারসংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
