আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে ২০২৬ সালের মার্চ মাস হতে আন্তর্জাতিক বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের মূল্য ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এখনো অব্যাহত আছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধি পেলেও সরকার জনস্বার্থে দেশে মূল্য বৃদ্ধি করেনি। ফলে ২০২৬ সালের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২,৮৭৫.৬৬ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে।
সরকার গত ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে ডিজেলের মূল্য লিটার প্রতি ১৫ টাকা বৃদ্ধি করে ১১৫.০০ টাকা নির্ধারণ করে। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি সত্ত্বেও বিগত ৫ মাস দেশে তেলের মূল্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশসমূহে জ্বালানি তেলের মূল্য বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশি। বর্তমানে ডিজেলের মূল্য ভারতে (কলকাতা) ১৩৪.৭৬ টাকা, মায়ানমারে ১৬৪.৮৩ টাকা, নেপালে ১৬১.২৪ টাকা, শ্রীলংকায় ১৭৯.৪২ টাকা, থাইল্যান্ডে ১৫১.২২ টাকা, ভিয়েতনামে ১৩৭.০০ টাকা, মালদ্বীপে ১৪০.৭১ টাকা, ফিলিপাইনে ১৬৮.৫৩ টাকা, পাকিস্তানে ১৮৫.৪৮ টাকা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৪৪.৭৯ টাকা।
দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য সর্বনিম্ন হওয়ার ফলে পার্শ্ববর্তী দেশসমূহে জ্বালানি তেল পাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। প্রবাসীদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রায় ক্রয়কৃত জ্বালানি তেল পাচার হওয়ার বিষয়টি কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। উল্লেখ্য, যুদ্ধের কারণে এলএনজি খাতেও প্রচুর ভরতুকি দিয়ে সরকার বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ সচল রাখছে। এছাড়া, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চলমান রাখতে এবং জ্বালানি তেল পাচার রোধে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য অনুযায়ী ডিজেলে বিপিসি’র লিটার প্রতি লোকসান প্রায় ৮৯.০০ টাকা। সে হিসেবে দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ শুধু ডিজেলে বছরে প্রায় চল্লিশ হাজার কোটি টাকা লোকসান হবে। পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের সাথে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের মূল্য লিটার প্রতি ২০.০০ টাকা বৃদ্ধি করা হলে বছরে বিপিসি’র লোকসান প্রায় দশ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে।
এ প্রেক্ষাপটে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বিপিসি’র লোকসান হ্রাস, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় ও পার্শ্ববর্তী দেশসমূহে জ্বালানি তেল পাচারের ঝুঁকি এড়াতে জ্বালানি তেলের মূল্য নিম্নরূপে পুননির্ধারণ করা হয়েছে:
জ্বালানি পণ্যের নাম পূর্বের মূল্য (টাকা/লিটার) পুননির্ধারিত মূল্য (টাকা/লিটার)
ডিজেল ১১৫.০০ ১৩৫.০০
অকটেন ১৪৫.০০ ১৬৫.০০
পেট্রোল ১৪০.০০ ১৬০.০০
কেরোসিন ১৩৫.০০ ১৫৫.০০
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
সরকার গত ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে ডিজেলের মূল্য লিটার প্রতি ১৫ টাকা বৃদ্ধি করে ১১৫.০০ টাকা নির্ধারণ করে। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি সত্ত্বেও বিগত ৫ মাস দেশে তেলের মূল্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশসমূহে জ্বালানি তেলের মূল্য বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশি। বর্তমানে ডিজেলের মূল্য ভারতে (কলকাতা) ১৩৪.৭৬ টাকা, মায়ানমারে ১৬৪.৮৩ টাকা, নেপালে ১৬১.২৪ টাকা, শ্রীলংকায় ১৭৯.৪২ টাকা, থাইল্যান্ডে ১৫১.২২ টাকা, ভিয়েতনামে ১৩৭.০০ টাকা, মালদ্বীপে ১৪০.৭১ টাকা, ফিলিপাইনে ১৬৮.৫৩ টাকা, পাকিস্তানে ১৮৫.৪৮ টাকা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৪৪.৭৯ টাকা।
দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য সর্বনিম্ন হওয়ার ফলে পার্শ্ববর্তী দেশসমূহে জ্বালানি তেল পাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। প্রবাসীদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রায় ক্রয়কৃত জ্বালানি তেল পাচার হওয়ার বিষয়টি কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। উল্লেখ্য, যুদ্ধের কারণে এলএনজি খাতেও প্রচুর ভরতুকি দিয়ে সরকার বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ সচল রাখছে। এছাড়া, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চলমান রাখতে এবং জ্বালানি তেল পাচার রোধে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য অনুযায়ী ডিজেলে বিপিসি’র লিটার প্রতি লোকসান প্রায় ৮৯.০০ টাকা। সে হিসেবে দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ শুধু ডিজেলে বছরে প্রায় চল্লিশ হাজার কোটি টাকা লোকসান হবে। পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের সাথে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের মূল্য লিটার প্রতি ২০.০০ টাকা বৃদ্ধি করা হলে বছরে বিপিসি’র লোকসান প্রায় দশ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে।
এ প্রেক্ষাপটে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বিপিসি’র লোকসান হ্রাস, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় ও পার্শ্ববর্তী দেশসমূহে জ্বালানি তেল পাচারের ঝুঁকি এড়াতে জ্বালানি তেলের মূল্য নিম্নরূপে পুননির্ধারণ করা হয়েছে:
জ্বালানি পণ্যের নাম পূর্বের মূল্য (টাকা/লিটার) পুননির্ধারিত মূল্য (টাকা/লিটার)
ডিজেল ১১৫.০০ ১৩৫.০০
অকটেন ১৪৫.০০ ১৬৫.০০
পেট্রোল ১৪০.০০ ১৬০.০০
কেরোসিন ১৩৫.০০ ১৫৫.০০
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
