কেরানীগঞ্জে অস্ত্র-চাপাতিসহ কাইল্ল্যা ফারুক গ্রেপ্তার, সহযোগীও আটক
মোহাম্মদপুর ও কেরানীগঞ্জ এলাকায় চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. ফারুক ওরফে ‘কাইল্ল্যা ফারুক’ (৫০) এবং তার সহযোগী মো. ইসমাইল হোসেন ডালিমকে (৪৬) গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-২। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি ৯ এমএম বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও একটি চাপাতি জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কেরানীগঞ্জ থানার কলাতিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে এসআরবি-২।
সংস্থাটির দাবি, গ্রেপ্তার ফারুক মোহাম্মদপুর ও কেরানীগঞ্জ এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ এবং একাধিক মামলার আসামি। তার বিরুদ্ধে বসিলা এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা দাবি, ওয়াশপুর এলাকায় স্টীডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের জিম্মি করে চাঁদা দাবি এবং মব সৃষ্টি করে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আহত করার অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া মোহাম্মদপুরের ৪০ ফুট এলাকায় বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবি, বসিলা ব্রিজে ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত কিশোর-তরুণদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া, জোরপূর্বক ভূমি দখল করে বালু ভরাট এবং মাদক ব্যবসায়ীদের সুরক্ষা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এসআরবি-২ জানিয়েছে, এসব অভিযোগের সংশ্লিষ্টতায় একাধিক মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। গ্রেপ্তার ফারুকের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি এবং দাঙ্গা, গুরুতর আঘাত, বলপূর্বক গ্রহণ, খুনের চেষ্টা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে আরও দুটি মামলাসহ মোট চারটি মামলা রয়েছে। এছাড়া লক্ষ্মীপুর সদর থানায় তার বিরুদ্ধে একটি সিআর মামলা রয়েছে।
অন্যদিকে, অস্ত্র আইন এবং স্টীডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসে চাঁদাবাজির অভিযোগে আরও দুটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে জব্দ করা আলামতসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে, কাইল্ল্যা ফারুকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা ঘটনায় ভুক্তভোগী থাকলে সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে এসআরবি-২।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কেরানীগঞ্জ থানার কলাতিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে এসআরবি-২।
সংস্থাটির দাবি, গ্রেপ্তার ফারুক মোহাম্মদপুর ও কেরানীগঞ্জ এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ এবং একাধিক মামলার আসামি। তার বিরুদ্ধে বসিলা এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা দাবি, ওয়াশপুর এলাকায় স্টীডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের জিম্মি করে চাঁদা দাবি এবং মব সৃষ্টি করে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আহত করার অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া মোহাম্মদপুরের ৪০ ফুট এলাকায় বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবি, বসিলা ব্রিজে ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত কিশোর-তরুণদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া, জোরপূর্বক ভূমি দখল করে বালু ভরাট এবং মাদক ব্যবসায়ীদের সুরক্ষা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এসআরবি-২ জানিয়েছে, এসব অভিযোগের সংশ্লিষ্টতায় একাধিক মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। গ্রেপ্তার ফারুকের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি এবং দাঙ্গা, গুরুতর আঘাত, বলপূর্বক গ্রহণ, খুনের চেষ্টা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে আরও দুটি মামলাসহ মোট চারটি মামলা রয়েছে। এছাড়া লক্ষ্মীপুর সদর থানায় তার বিরুদ্ধে একটি সিআর মামলা রয়েছে।
অন্যদিকে, অস্ত্র আইন এবং স্টীডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসে চাঁদাবাজির অভিযোগে আরও দুটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে জব্দ করা আলামতসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে, কাইল্ল্যা ফারুকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা ঘটনায় ভুক্তভোগী থাকলে সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে এসআরবি-২।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
