সীমান্তবর্তী যুবকদের স্বাবলম্বী করতে বিজিবির উদ্যোগ: পঞ্চগড়ে ইলেকট্রিক্যাল হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ পেলেন ৩৩ যুবক
সীমান্তবর্তী যুবকদের স্বাবলম্বী করতে বিজিবির উদ্যোগ: পঞ্চগড়ে ইলেকট্রিক্যাল হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ পেলেন ৩৩ যুবক
পঞ্চগড়ের সীমান্তবর্তী এলাকার বেকার যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ৩৩ জন যুবককে বেসিক ইলেকট্রিক্যাল হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। প্রশিক্ষণ শেষে তাদের মধ্যে সনদপত্র ও ভালো ফলাফল অর্জনকারীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
পঞ্চগড় ব্যাটালিয়ন (১৮ বিজিবি)-এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে গত ২৩ আগস্ট থেকে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়। ১৭ সেপ্টেম্বর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর আজ (২০ সেপ্টেম্বর) প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে ঠাকুরগাঁও সেক্টর সদর দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডার এবং নীলফামারী ব্যাটালিয়ন (৫৬ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাইফুর হাসান মাহমুদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র এবং ভালো ফলাফল অর্জনকারীদের পুরস্কার বিতরণ করেন।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক”—বিজিবি মহাপরিচালকের এ ঘোষণাকে বাস্তবে রূপ দিতে বিজিবি সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক কল্যাণেও কাজ করে যাচ্ছে। চোরাচালান, মাদক, মানবপাচার ও অস্ত্রপাচারসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনের পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগোষ্ঠীর কল্যাণে ত্রাণ বিতরণ, দুর্যোগকালীন সহায়তা, বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ, শিক্ষা উপকরণ প্রদানসহ বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
প্রধান অতিথি আরও বলেন, সীমান্তবর্তী বেকার যুবকদের কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাই এ প্রশিক্ষণের অন্যতম উদ্দেশ্য। প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে প্রশিক্ষণার্থীরা নিজ এলাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে এবং স্বাবলম্বী হতে পারবেন। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বিজিবির পারস্পরিক আস্থা ও সম্পৃক্ততা আরও সুদৃঢ় হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে পঞ্চগড় ব্যাটালিয়ন (১৮ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস, সহকারী পরিচালক মোঃ জিয়াউর রহমান, জেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, পঞ্চগড় টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি)-এর প্রশিক্ষক, বিজিবির প্রশিক্ষক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, প্রশিক্ষণার্থীবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে পঞ্চগড় ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক জানান, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়ন, আত্মকর্মসংস্থান ও জীবনমান উন্নয়নে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
পঞ্চগড় ব্যাটালিয়ন (১৮ বিজিবি)-এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে গত ২৩ আগস্ট থেকে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়। ১৭ সেপ্টেম্বর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর আজ (২০ সেপ্টেম্বর) প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে ঠাকুরগাঁও সেক্টর সদর দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডার এবং নীলফামারী ব্যাটালিয়ন (৫৬ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাইফুর হাসান মাহমুদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র এবং ভালো ফলাফল অর্জনকারীদের পুরস্কার বিতরণ করেন।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক”—বিজিবি মহাপরিচালকের এ ঘোষণাকে বাস্তবে রূপ দিতে বিজিবি সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক কল্যাণেও কাজ করে যাচ্ছে। চোরাচালান, মাদক, মানবপাচার ও অস্ত্রপাচারসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনের পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগোষ্ঠীর কল্যাণে ত্রাণ বিতরণ, দুর্যোগকালীন সহায়তা, বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ, শিক্ষা উপকরণ প্রদানসহ বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
প্রধান অতিথি আরও বলেন, সীমান্তবর্তী বেকার যুবকদের কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাই এ প্রশিক্ষণের অন্যতম উদ্দেশ্য। প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে প্রশিক্ষণার্থীরা নিজ এলাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে এবং স্বাবলম্বী হতে পারবেন। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বিজিবির পারস্পরিক আস্থা ও সম্পৃক্ততা আরও সুদৃঢ় হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে পঞ্চগড় ব্যাটালিয়ন (১৮ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস, সহকারী পরিচালক মোঃ জিয়াউর রহমান, জেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, পঞ্চগড় টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি)-এর প্রশিক্ষক, বিজিবির প্রশিক্ষক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, প্রশিক্ষণার্থীবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে পঞ্চগড় ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক জানান, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়ন, আত্মকর্মসংস্থান ও জীবনমান উন্নয়নে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
