সূত্রাপুরে পেট্রোল ঢেলে আগুন, একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ
রাজধানীর সূত্রাপুরে পারিবারিক কলহের জেরে একটি কক্ষে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার ঘটনায় এক নারীসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শ্যামবাজার চামারটুলি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধরা হলেন—সিদ্দিক বেপারি (৬০), তার ছেলে সৌদি আরবপ্রবাসী মো. ইমন (২৬), ভাতিজা রাজিব (৩৮), ভাগনে আরিফুর রহমান ধলু (৩৫) ও ভাগনি তানিয়া আক্তার (২০)। তাদের উদ্ধার করে সন্ধ্যার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্র জানায়, দগ্ধ সবাই শ্যামবাজার চামারটুলি এলাকার একই পৈতৃক ভিটায় পাশাপাশি বসবাস করেন। রাজিব একটি বেসরকারি হাসপাতালে মেকানিক হিসেবে কর্মরত। আরিফুর রহমান পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি। তানিয়া পুরান ঢাকার একটি উইমেন্স কলেজের স্নাতক (অনার্স) শ্রেণির শিক্ষার্থী।
দগ্ধ আরিফুর রহমান ধলুর স্ত্রী সোনিয়া আক্তার জানান, শুক্রবার বাড়ির সামনে ময়লা পানি জমিয়ে রাখা নিয়ে ইমনের বোন সুলতানার সঙ্গে তানিয়ার বাগ্বিতণ্ডা হয়। তানিয়া ময়লা পানি পরিষ্কার করতে বললে সুলতানা বিষয়টি সৌদি আরবে থাকা তার ভাই ইমনকে জানান। পরে খবর পেয়ে ইমন শুক্রবারই দেশে ফেরেন।
সোনিয়া আক্তার আরও জানান, আজ শনিবার বিকেলে ইমন সবাইকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে হুমকি দিয়ে বলেন আমিও মরব, তোদেরকেও মারব। এই কথা বলেই তিনি নিজ কক্ষে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে কক্ষে থাকা সবাই দগ্ধ হন। পরে তাদের দ্রুত উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ জানান, আজ সন্ধ্যার দিকে সূত্রাপুর এলাকা থেকে দগ্ধ অবস্থায় পাঁচজনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আনা হয়েছে।
তিনি জানান, চিকিৎসাধীনদের মধ্যে ইমনের শরীরের ৯০ শতাংশ, তানিয়ার ৬০ শতাংশ, সিদ্দিকের ৩৫ শতাংশ, রাজিবের ১৫ শতাংশ এবং আরিফুরের ৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় ইমন, তানিয়া, সিদ্দিক ও রাজীবকে হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। আরিফের শরীরে দগ্ধের পরিমাণ কম থাকায় জরুরি বিভাগের অবজারভেশনে তার চিকিৎসা চলছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
দগ্ধরা হলেন—সিদ্দিক বেপারি (৬০), তার ছেলে সৌদি আরবপ্রবাসী মো. ইমন (২৬), ভাতিজা রাজিব (৩৮), ভাগনে আরিফুর রহমান ধলু (৩৫) ও ভাগনি তানিয়া আক্তার (২০)। তাদের উদ্ধার করে সন্ধ্যার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্র জানায়, দগ্ধ সবাই শ্যামবাজার চামারটুলি এলাকার একই পৈতৃক ভিটায় পাশাপাশি বসবাস করেন। রাজিব একটি বেসরকারি হাসপাতালে মেকানিক হিসেবে কর্মরত। আরিফুর রহমান পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি। তানিয়া পুরান ঢাকার একটি উইমেন্স কলেজের স্নাতক (অনার্স) শ্রেণির শিক্ষার্থী।
দগ্ধ আরিফুর রহমান ধলুর স্ত্রী সোনিয়া আক্তার জানান, শুক্রবার বাড়ির সামনে ময়লা পানি জমিয়ে রাখা নিয়ে ইমনের বোন সুলতানার সঙ্গে তানিয়ার বাগ্বিতণ্ডা হয়। তানিয়া ময়লা পানি পরিষ্কার করতে বললে সুলতানা বিষয়টি সৌদি আরবে থাকা তার ভাই ইমনকে জানান। পরে খবর পেয়ে ইমন শুক্রবারই দেশে ফেরেন।
সোনিয়া আক্তার আরও জানান, আজ শনিবার বিকেলে ইমন সবাইকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে হুমকি দিয়ে বলেন আমিও মরব, তোদেরকেও মারব। এই কথা বলেই তিনি নিজ কক্ষে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে কক্ষে থাকা সবাই দগ্ধ হন। পরে তাদের দ্রুত উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ জানান, আজ সন্ধ্যার দিকে সূত্রাপুর এলাকা থেকে দগ্ধ অবস্থায় পাঁচজনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আনা হয়েছে।
তিনি জানান, চিকিৎসাধীনদের মধ্যে ইমনের শরীরের ৯০ শতাংশ, তানিয়ার ৬০ শতাংশ, সিদ্দিকের ৩৫ শতাংশ, রাজিবের ১৫ শতাংশ এবং আরিফুরের ৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় ইমন, তানিয়া, সিদ্দিক ও রাজীবকে হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। আরিফের শরীরে দগ্ধের পরিমাণ কম থাকায় জরুরি বিভাগের অবজারভেশনে তার চিকিৎসা চলছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
